চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিলম্বে হলেও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক ভালো উদ্যোগ

করোনাভাইরাস এখনও বিশ্বব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। শনাক্ত এবং মৃ্ত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন। বাংলাদেশেও এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়ায় মাস্ক পরা এবং হাত ধোয়ার মাধ্যমে প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট অফিসে আগত সেবা গ্রহীতারা ছাড়াও সব জায়গায় মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে পরিপত্র জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

পরিপত্রে বলা হয়েছে: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। শপিংমল, বিপণি-বিতান ও দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতারা আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মার্কেট ব্যবস্থাপনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এছাড়া হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা মাস্ক ব্যবহার করবেন। মাস্ক পরিধান ছাড়া ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করবে না। স্থানীয় প্রশাসন, ও হাট-বাজার কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

গণপরিবহনের (সড়ক, নৌ, রেল ও আকাশপথ) চালক, চালকের সহকারী ও যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে আরোহণের পূর্বে যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মালিক সমিতি বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ সব শিল্প-কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালিকরা বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এমন পরিপত্র জারি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ দেশি-বিদেশি প্রায় সব চিকিৎসক মাস্ক পরার বিষয়ে একমত। মাস্কের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধ হয় বলে তারা জানিয়েছেন। এজন্য করোনা মোকাবেলায় আমাদের মাস্ক পরা এবং হাত ধোয়ার বিকল্প নেই। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।