অবশেষে বাড়ি ফিরেতে পেরেছে ছোট্ট পূর্ণিমা। প্রায় ৪ মাস ২১ দিন রংপুর
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নেয়ার পর মঙ্গলবার সুস্থ হয়ে
বাড়ি ফিরে ১২ বছর বয়সী মেয়েটি।
এদিন বাড়ি ফেরার সীমাহীন আনন্দ ছিল তার
চোখে-মুখে। মেয়েকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা পরিবারের সবাই।
গত ২০ ফেব্রয়ারিতে খাবার চুরির অপবাদ দিয়ে পূর্ণিমাকে মারধর করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় পপি রানী সাহা ও তার স্বামী।
পুলিশ ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করে।
বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মারুফুল ইসলামের জানান, পাঁচ মাস আগে শিশু মেয়েটি যখন ভর্তি হয় তখন তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তার শরীরের ৩০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল। শিশুটিতে আমরা ২০ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনবার মেয়েটির বড় ধরনের অপারেশন করতে হয়েছে।
তিনি জাননা, ওষুধসহ যাবতীয় সবকিছুই হাসপাতাল সরবরাহ করেছে।
কোতয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম জানান, ওই সময় শিশু নির্যাতনের অভিযোগে কোতয়ালি থানার এসআই মোস্তাফিজার রহমান বাদি হয়ে একটি মামলা করেছিলেন। সে মামলায় গৃহকর্তা সুধির চন্দ্র ও তার স্ত্রী পপি রানী সাহাকে পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান।








