চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বলিউডে চুরি-ডাকাতি

সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ চুরি, ব্যাংক ডাকাতি কিংবা লুটের ঘটনা আর চোর-পুলিশের লুকোচুরি খেলার বিষয়টা উপভোগ করেন না এমন দর্শক কমই পাওয়া যাবে। হলিউডে এই বিষয়ে প্রচুর সিনেমা হয়েছে। বলিউড সিনেমাও যে খুব পিছিয়ে আছে তা নয়। বলিউডেও তৈরি হয়েছে চুরি-ডাকাতি নিয়ে অসাধারণ সব সিনেমা। বলিউডে নির্মিত ব্যাংক লুট বা ডাকাতির ঘটনা নিয়ে নির্মিত সেরা পাঁচ সিনেমা নিয়ে এই ফিচার।

আঁখেন: ২০০২ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ‘আঁখেন’ ছবিটির কথা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে? যেখানে বলিউডের মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের সাথে আরো অভিনয় করেছিলেন অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল এবং অর্জুন রামপাল। ছবিটির কাহিনী ছিল মূলত ব্যাংক লুট ঘিরে, যেখানে অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও অক্ষয়, পরেশ রাওয়াল এবং অর্জুন রামপালকে দিয়ে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ব্যাংক লুট করিয়েছিলেন বহিষ্কৃত ব্যাংক ব্যবস্থাপক অমিতাভ বচ্চন। সেই সময় মুক্তি প্রাপ্ত এই ছবিটি বেশ জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ধুম: ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ধুম’ বলিউড কাঁপিয়ে দিয়েছিলো। সাহসী পুলিশ অফিসার অভিষেক বচ্চন আর চোরদের গ্যাঙের সর্দার জন আব্রাহামের লুকোচুরি খেলার পাশাপাশি এশা দেওলের গ্ল্যামারাস উপস্থাপনা দর্শকদের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সুপার-ডুপার হিট তকমা জিতে নেয়।

বিজ্ঞাপন

ধুম ২: ধুমের পর সকলেই ধুম-২ এর অপেক্ষায় ছিল। অপেক্ষার পালা শেষ হয় হৃতিক ও ঐশ্বরিয়ার মনোমুগ্ধকর রসায়নের সাথে অভিষেক বচ্চন, উদয় চোপড়া, বিপাশা বসু বনাম হৃতিকের চোর-পুলিশ খেলার অসাধারণ গল্পের চিত্রিত রূপ দেখে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অবশ্য হৃতিক-অ্যাশের চুম্বন দৃশ্যের বিষয়টা।

ক্যাশ: অজয় দেবগণ, জায়েদ খান, এশা দেওল, সুনীল শেঠি, দিয়া মির্জা, সমিতা শেঠীকে নিয়ে পরিচালক অনুভব সিনহা নির্মাণ করেন ‘ক্যাশ’ সিনেমাটি। যেখানে অজয় দেবগণের নেতৃত্বে হীরা চুরি করার প্ল্যান করে এবং সফল ভাবে তা সম্পন্নও করে। যদিও ব্যবসায়িক ভাবে সিনেমাটি অন্যসব সিনেমার চেয়ে পিছিয়ে তবুও এর গল্প বলার ধরণ ছিল অন্যরকম।.

স্পেশাল ২৬: ২০১৩ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ‘স্পেশাল ২৬’ সিনেমাটিও ছিল জালিয়াতি ও লুট কেন্দ্রিক। যেখানে নকল আয়কর অফিসার সেজে বড়লোকদের থেকে টাকা লুট করতেন অক্ষয় কুমার, অনুপম খেরের টিম। প্রচণ্ড দক্ষতা সম্পন্ন ছিল এক একটা চুরির কাহিনী। তবে পুলিশের নজরে অনেক কিছু আসলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়েননি অক্ষয় কিংবা অনুপম। নিরাজ পাণ্ডে পরিচালিত ছবিটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন