চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যের খলনায়কদের বিচার দাবি

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের খলনায়কদের বিচার দাবি করেছে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন। এক সংবাদ সম্মেলনে ফাউন্ডেশনের নেতারা এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিচার চেয়েছেন। প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করে মৃত ব্যক্তির বিচারের বিধানও চান তারা ।

শনিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় “ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন” আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তোলা হয়।

বিজ্ঞাপন

সংগঠনের মূল সমন্বয়ক এনামুল হক বলেন, ‘আজ আরও একটি শোকাবহ ১৫ আগস্ট অতিক্রম করছে জাতি। এরই মাঝে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে ঠিকই। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের খলনায়কদের বিচার হয়নি আজও। প্রায় ৩৫ বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি জড়িত সাবেক সেনা সদস্যদের দণ্ড দেয়া হলেও বেসামরিক কোন ব্যক্তির বিচার হতে দেখা যায়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড কোন নিছক হত্যাকাণ্ড নয়, বরং এর পেছনে সুস্পষ্ট একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়েও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আরও কারা কারা ছিলেন এবং কি উদ্দেশ্যে ছিলেন সেটি নিয়ে আরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ফাউন্ডেশনের মতে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হলেও, এই হত্যাকাণ্ডের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিষয়টি অপ্রকাশিত থেকে গেছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের খলনায়কদের বিচারের আওতায় এনে জাতির সামনে সত্য উন্মোচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

২০১৬ সালের আগস্ট মাসে, মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং যোগসাজসের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। কিন্তু আফসোস আজ প্রায় ৪ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এ ব্যাপারে জাতি এখনও অন্ধকারেই আছে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে “ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন”-এর পক্ষ থেকে সকালে জলঢাকা জিরো পয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।