চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বকেয়া বেতনসহ ঈদ বোনাসও পাচ্ছেন এফডিসির কর্মকর্তা কর্মচারীরা

করোনাভাইরাসের মধ্যেও চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-র প্রায় ২৭০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী দু’মাসের (মার্চ-এপ্রিল) বকেয়া বেতন বাকি ছিল। এতে চরম বিপাকে পড়তে হয় কর্মরত কর্তাব্যক্তিদের। 

২১ এপ্রিল চ্যানেল আই অনলাইনের এক প্রতিবেদনে সেই খবর প্রথম প্রকাশ হয়। সেই প্রতিবেদনে বেতন না পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপনের কথা জানান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কলাকুশলী ও কর্মচারী লীগ (সিবিএ)-এর সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিবসহ একাধিক কর্মচারী।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অবশেষে বেতন পেতে যাচ্ছেন এফডিসির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। সঙ্গে থাকছে ঈদ বোনাসও।

বুধবার দুপুরে চ্যানেল আই অনলাইনকে বকেয়া বেতনসহ বোনাস পাওয়ার খবর জানিয়েছেন এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, প্রত্যেকের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পাওয়া গেছে। কর্মচারীরা রবিবার তেঁজগাও জনতা ব্যাংক শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

২৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে মোট ৬ কোটি টাকা অনুদান পাওয়া গেছে বলেও জানান এফডিসির পরিচালক। দুমাসের বেতন বোনাস দিয়ে অতিরিক্ত অর্থে আগামি আরও দুমাসের বেতন নিশ্চিত থাকছে বলে জানান নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা উচ্ছিষ্ট থাকবে। যা আগামীতে বেতন দেয়া যাবে।

এর আগে ২১ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কলাকুশলী ও কর্মচারী লীগ (সিবিএ)-এর সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব প্রথম চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে তাদের বেতন আটকে থাকার কথা জানিয়েছিলেন। বুধবার তিনি চ্যানেল আই অনলাইনের বলেন, নিশ্চিত হয়েছি রবিবার বয়েকা বেতনসহ বোনাস পাবো।

যোগ করে বলেন, দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হলেও এফডিসি লোকসানে থাকে। দেশের এই অবস্থা কেটে গেলেও আগামী প্রায় দেড় বছর এফডিসিতে তেমন কাজ হবে না। তাই অদূর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা কাজ করছে।

প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা করে আমাদের বেতন বাবদ খরচ হয়। যে অর্থ এসেছে কমপক্ষে পাঁচমাস আমাদের বেতন নিশ্চিত থাকছে।

কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চলচ্চিত্র উন্নয়ন কলাকুশলী ও কর্মচারী লীগ (সিবিএ)-এর এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের খারাপ সময় নিয়ে চ্যানেল আই অনলাইন প্রতিবেদন করার পর অনেকের টনক নড়ে। অনেকেই আমাকে ফোন করে খবর নিয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে লিখিত স্মারক দিয়েও সুফল পেয়েছি। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম পাশে দাঁড়িয়েছেন। গেল সোমবার তিনি ২৪৫ জন কর্মচারীকে চাল, তেল, ডাল দিয়েছেন। এজন্য তাকেও ধন্যবাদ।