চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে মার্কিন সংস্থা

‘পদ্ধতিগত বর্ণবাদ’ ও ‘পক্ষপাতের’ অভিযোগ

এবার চাকরিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত বর্ণবাদ ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে একটি মার্কিন সংস্থা।

রয়টার্স জানিয়েছে, নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে জাতিগত পক্ষপাতিত্বের জন্য ফেসবুকের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। ফেসবুকে চাকরির আবেদনকারী তিনজন এবং সেখানকার একজন ম্যানেজার তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ করেছে, যাকে মার্কিন আইনজীবী অভিহিত করছেন, ‘পদ্ধতিগত’ বর্ণবাদ হিসেবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইকুয়াল এমপ্লয়েমন্ট অফরচুনিটি কমিশন সন্দেহ করছে যে, ফেসবুকের নীতি সম্ভবত বৈষম্যের বিস্তার ঘটাচ্ছে, যা একেবারে ‘সিস্টেমেটিক’। এই বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনজন আবেদনকারী ও ফেসবুকের একজন কর্মচারী অভিযোগ করেছেন যে, ফেসবুক কৃষ্ণাঙ্গ চাকরি প্রার্থী ও কর্মচারীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করে, যা একেবারে সিস্টেমেটিক।

তবে ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন তদন্তের বিষয়ে বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, সকল কর্মীদের সম্মানজনক ও নিরাপদ কাজের পরিবেশ সরবরাহ করা জরুরি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমরা বৈষম্যের যে কোনো অভিযোগকে গুরুত্বের সাথে নিই এবং প্রতিটি মামলা তদন্ত করি।

ফেসবুক আরো জানায়, জুনে ফেসবুকে নিয়োগ পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রায় ৩.৯ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ।

এর আগে গত ডিসেম্বরে ফেসবুকের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ আনে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এক মামলায় বিচার বিভাগ দাবি করে, খণ্ডকালীন কর্মীদের নিয়োগে প্রাধান্য দিয়েছে সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীও রয়েছেন।

বিচার বিভাগের দাবি, ২ হাজার ৬০০-এর বেশি চাকরিযোগ্য মার্কিন কর্মী নিয়োগ বা বিবেচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ফেসবুক।

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, অনেক চাকরির ক্ষেত্রেই গড় বার্ষিক বেতন ছিলো এক লাখ ৫৬ হাজার মার্কিন ডলার। এ চাকরিগুলোর ক্ষেত্রে মার্কিন কর্মীর বদলে এইচ-১বি ভিসার মতো সাময়িক ভিসাধারীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানায় বিচার বিভাগ।