চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ফাইনালে সাকিবদের বার্বাডোজ

শিরোপার লড়াই গায়ানার বিপক্ষে

ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে ১২ রানে হারিয়ে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে উঠেছে সাকিব আল হাসানদের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। শুক্রবার সকালে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ব্যাটে ১৮ রান করলেও বলে উইকেটের দেখা পাননি টাইগারদের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

শনিবার গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ফাইনাল পরীক্ষা সাকিবদের। এই গায়ানার বিপক্ষে প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৩০ রানে হেরেছিল বার্বাডোজ। আর এলিমিনেটরে সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বার্বাডোজের প্রতিপক্ষ হয়েছিল ত্রিনবাগো।

বিজ্ঞাপন

এদিন একটি করে চার-ছয়ে ১২ বলে ১৮ রান করে পিয়েরেকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়ানডাউনে নামা সাকিব। পরে শুরুতেই বল হাতে পান, কিন্তু ২ ওভারে ২৭ রান বিলিয়ে দিলে অধিনায়ক আর তাকে বোলিংয়ে ডাকেননি।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি তোলে বার্বাডোজ। জবাব দিতে নেমে ৩ বল হাতে রেখে ১৪৮ রানে থেমে যায় ত্রিনবাগোর ইনিংস।

প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে আরেকটা সুযোগ মিলেছে ফাইনালে যাওয়ার, কিন্তু দ্বিতীয় সুযোগে শুরুতে ঝড় তুলতে পারেনি বার্বাডোজ। চার্লস ও হেলস ২৯ বলে ২৭ রান আনেন উদ্বোধনীতে।

হেলস ১১ বলে ১০ করে ফিরলে নামেন সাকিব। চার্লসের সঙ্গে জুটিতে অবদান রেখে আনেন ২৪ রান। নিজে ১৮ করে ফিরে গেলে ডুমিনি আহত অবসরে যান ১০ রানে। তখন ঘোর বিপদে বার্বাডোজ!

কিছুপর ঠেলেঠুলে ৪১ বলে ৩৫ করা চার্লসও সাজঘরে হাঁটা দেন। কার্টার ৪ ও অধিনায়ক হোল্ডার ১ রানে তাকে অনুসরণ করলে বিপদ আরও ঘনীভূত হয়!

বিজ্ঞাপন

সেখান থেকেই প্রতিরোধের শুরু। ২ চার ও এক ছয়ে ১৮ বলে ২৩ করে আশা জাগিয়ে যান শাই হোপ। সেটাকে পূর্ণতা দেন রেইফার ও নার্স। দুজনেই ঝড় তুলে শেষের দিকে দ্রুত পঞ্চাশটি রান যোগ করেন।

দুই ছক্কায় ১৮ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন রেইফার। তার ঝড়ো সঙ্গী নার্স অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে, ৩ ছয়ে মাত্র ৯ বলের ইনিংস তার।

ত্রিনবাগোর হয়ে আলি খান, পিয়েরে ও জর্ডান ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে নারিন ১৭, সিমন্স ১, মুনরো ১৬, রামদিন ২১, ড্যারেন ব্রাভো ২ রানে ফিরে গেলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোতে থাকে ত্রিনবাগো।

এরপর পোলার্ড ও সেকুগে প্রসান্না তাদের স্বপ্ন দেখান। পোলার্ড ২ ছয়ে ১৬ বলে ২৩ করে রান আউটে কাটা পড়লে আবারও ধাক্কা।

সেখান থেকে ঝড় তোলেন প্রসান্না, ৪টি করে ছার-ছক্কায় তার ২৭ বলে তোলা ৫১ রানের ইনিংসটিও শেষঅবধি জয়ে নোঙর করাতে পারেনি ত্রিনবাগোকে। ১২টা রান শেষ পর্যন্ত কমই পড়ে যায়!

বার্বাডোজের হয়ে হাত ঘুরানোদের মধ্যে কেবল সাকিবই উইকেটের দেখা পাননি, ছিলেন সবচেয়ে খরুচেও। বাকিদের মধ্যে নার্স ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রানে ২ উইকেট নেন। গুর্নে, হেইডেন ওয়ালশ ও রেইফার নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। হোল্ডারের নামের পাশে একটি।

Bellow Post-Green View