চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রাইজবন্ডের ১০১তম ড্রয়ে পুরস্কার জিতলো যেসব নম্বর

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১০১তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার বিজয়ীর নম্বর হচ্ছে ০৪০২০৭০ এবং ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার দ্বিতীয় পুরস্কারের নম্বর ০২২০৩৪২।

রোববার ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) একেএম মাসুদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

এক লাখ টাকা করে দুটি তৃতীয় পুরস্কারের নম্বর ০৯৭৭৩১৯ ও ০৭২০৪০০। এছাড়া প্রতিটি ৫০ হাজার টাকা করে দুটি চতুর্থ পুরস্কারের নম্বর ০৮৫৯৩১৮ ও ০৯৭৩৯৯৪।

একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) এই ‘ড্র’ পরিচালিত হয় এবং বর্তমানে প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের ৬২টি সিরিজ যথা-কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ , গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ এবং গঞ এই ‘ড্র’-এর আওতাভুক্ত।

উপরোক্ত সিরিজগুলোর অন্তর্ভুক্ত ৪৬টি সাধারণ সংখ্যা পুরস্কারের যোগ্য বলে ঘোষিত হয়। নিম্নে বর্ণিত সংখ্যার বন্ডগুলো সাধারণভাবে প্রতিটি সিরিজের ক্ষেত্রে পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

বিজ্ঞাপন

৫ম পুরস্কার প্রতিটি ১০ হাজার টাকার বিজয়ী প্রতিটি সিরিজের ৪০টি নম্বর হলো: ০০৪৭৮০০, ০২৬৯৫৯২, ০৩৭৯১২২, ০৬১০০৩০, ০৭৮৭৭৬৫, ০১০৪৯৬৮, ০২৭২৮৮৩, ০৪০১৩৫৬, ০৬২৬৯৩৮, ০৮০৩১৮৬, ০১০৮৭৮০, ০২৭৪৬৪৮, ০৪১১০৭৫, ০৬২৮৬১৫, ০৮১৪৩৫৫, ০১৪২৭৪৪, ০২৭৯৭০৫, ০৪৩৪৭৭৪, ০৬৩২৩৩৩, ০৮৩১৭৯৪, ০১৯৩৩৬০, ০৩০৬৩০৬, ০৪৫৯৯০৭, ০৬৬৮৫৯১, ০৮৮৭৩০২, ০২৩২৬১০, ০৩১২৮৫০, ০৪৭৮১৭৫, ০৭০৮১৯১, ০৮৯০৬৬৯, ০২৪৮৬০৯, ০৩২১৩১৯, ০৫১৩৩৫২, ০৭২৯১৩১, ০৯২০০৫০, ০২৫১১৪৩, ০৩৪২২৪০, ০৫৯৬৯৫৬, ০৭৮০১৭৪ এবং ০৯২৭৭০৩।

সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয়প্রবণতা বাড়াতে বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড চালু করে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে চালু করা হয় এই বন্ড। প্রাইজবন্ডকে পুরস্কার বন্ড ও লটারি বন্ডও বলা হয়। এতে কোন সুদ না থাকায় একে সুদবিহীন বন্ডও বলা হয়।

যেকোনো সময় নিজের প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব ক্যাশ অফিস, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে প্রাইজবন্ড ভাঙানো ও কেনা—দুটোই করা যায়। বছরে চারবার লটারির ড্র হয়, তাতেই নির্ধারণ হয় কারা জিতল পুরস্কার। প্রতিবছরে ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর লটারি ড্র হয়।

যে কেউ চাইলেই প্রাইজবন্ড কিনতে পারেন। আবার ভাঙানো যাবে যখন-তখন। এর কোনো মেয়াদ বা সীমা নেই।

এটি সঞ্চয় অধিদপ্তরের পণ্য হলেও পরিচালনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে সরকার বাজার থেকে টাকা ধার করে।