চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রতিবাদের মুখে স্বীকৃতি পেলেন ‘গেন্দা ফুল’-এর স্রষ্টা

‘বড়লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথা বিন্ধে দিব লাল গেন্দা ফুল’ গানটি নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা হচ্ছে। নিজের গানের সাথে বাদশা জুড়ে দিয়েছেন রতন কাহারের লেখা সত্তর দশকের ‘বড়লোকের বেটি লো’–লোকগান থেকে দুটি লাইন। কিন্তু গানের কোথাও উল্লেখ করেননি তার নাম। বাদশা দুঃস্থ এই শিল্পীকে তার প্রাপ্য দেননি, এই অভিযোগও ওঠে।

তবে ইনস্টাগ্রাম বাদশা জানিয়েছেন এই গানটি যে রতন কাহারের লেখা সেটা তার জানা ছিল না। গানটি তিনি আগে বহুবার শুনেছেন এবং ইউটিউবে এই গানের বহু রিমেকও রয়েছে। সব ক্ষেত্রেই এই গানটি শুধুই বাংলার লোকগান, এটুকুই উল্লেখ ছিল।

বিজ্ঞাপন

বাদশা বলেছেন, ‘গান প্রকাশের দুইদিন পর জানতে পেরেছি যে এই লোকগানটি বাঙালি শিল্পী রতন কাহারের লেখা। আমি ইউটিউবে খুঁজে অনেকগুলো ভিডিও পেয়েছি। অনেকেই রিমেক করেছেন গানটি। কিন্তু রতন কাহারজির নাম কোথাও ছিল না। শিল্পী সমিতিতে খোঁজ করেছি, সেখানেও কোনো তথ্য পাইনি।

বিজ্ঞাপন

অনেক মানুষ আমাকে ট্যাগ করা শুরু করেন। একটা ডকুমেন্টারি আছে তাকে নিয়ে। সেখানে বলা হয়েছে গানটি তার লেখা। কিন্তু রেকর্ড অনুযায়ী আমার কাছে এটা একটা বাংলা লোকগান। লোকগান সব মানুষের। আমি নিশ্চিত তিনি একজন অসাধারণ শিল্পী। আমি পাঞ্জাবের, আমি সংস্কৃতি ভালোবাসি। সেটা বাংলা হোক বা গুজরাটি। অনেক সুন্দর একটা গান এটা। তাই আমার গানে গানটিকে জুড়ে দিয়েছি যেন পুরো বিশ্বের মানুষ শুনতে পারে। কারণ এখন আমি এমন অবস্থানে আছি, মানুষ আমার গান শোনে।’

বাদশা জানান, তিনি রতন কাহারের সঙ্গে দেখা করতে চান এবং আর্থিক সহায়তা করতে চান। কারণ তিনি শিল্পীর কাজের মূল্য দিতে জানেন এবং কখনোই কোনো শিল্পীর কাজ চুরি করার পক্ষে না।

বাদশা আরও বলেন, ভারতে যদি এখন লক ডাউন না থাকতো, তাহলে তিনি নিজে যেয়ে রতন কাহারের সঙ্গে দেখা করে আসতেন।

এ বিষয়ে বীরভূমের প্রখ্যাত লোকশিল্পী রতন কাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, বাদশার এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাঁকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। এবং তিনি এও জানান, তারসঙ্গে দেখা করার চেয়ে গানের গীতিকারের ক্রেডিটে যেন তার নাম যুক্ত করা হয়।

 

View this post on Instagram

 

Please read

A post shared by BADSHAH (@badboyshah) on