চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পোশাকের ন্যায্য মূল্য পাওয়া বাংলাদেশের অধিকার

রানা প্লাজা ধসের পর আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নির্দেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সংস্কার করা হয়েছে। কারখানায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শ্রমিকের কাজের পরিবেশ উন্নত করা হয়েছে। তাই পোশাকের ন্যায্য মূল্য পাওয়া এখন বাংলাদেশের অধিকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে পোশাক কারখানা পরিদর্শনে গতি আনতে ‘লিমা’ নামের একটি অ্যাপের কার‌্যক্রম উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক, নেদারল্যান্ডসের অ্যাম্বাসেডর লিউনি কুইলেনারে, কানাডার হাই কমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন, বাংলাদেশে আইএলও’র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান স্নেহাল সোনেজিসহ আন্তর্জাতিক বায়ারদের প্রতিনিধিরা।

বিজ্ঞাপন

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ভবিষ্যতে কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পথ দেখিয়েছে। এই ঘটনার পর ক্রেতাদের নির্দেশে বাংলাদেশের প্রায় সব কারখানায় সংস্কার করা হয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও উন্নত মানের যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ। বাড়ানো হয়েছে শ্রমিকদের মজুরি। আর এসব করতে গিয়ে কারখানা মালিকদের অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনও সবাই বলে শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে। আমরাও চাই জীবনমান উন্নয়নে তাদের মানসম্মত মজুরি নির্ধারন হোক। কিন্তু কিভাবে বাড়াবে? বাড়াতে হলে পোশাক রপ্তানি বাড়াতে হবে। দাম বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, কারখানার মান উন্নয়নে এসব করতে গিয়ে পোশাকের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে সব চেয়ে কম দামে পোশাক কিনতে চায়। তাই বাংলাদেশে নিযুক্ত ক্রেতাদের অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা বাংলাদেশের কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য বলুন। কারণ ক্রেতাদের নির্দেশে কারখানার পরিবেশ উন্নত করার পর পোশাকের ন্যায্য দাম পাওয়া এখন বাংলাদেশের অধিকার।

বিজ্ঞাপন