চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পোশাক শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষায় ল্যাব চালু করলো বিজিএমইএ

তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ‘স্টেট অব দ্য আর্ট কোভিড-১৯ ল্যাব’ চালু করলো পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ল্যাবটির কারিগরি সহায়তা করছে ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বাডাস)।

বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ল্যাব উদ্বোধন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুশের্দী, শ্রম সচিব কে এম আব্দুস সালাম, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বাডাস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান প্রমুখ।

বিজিএমইএ বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুসারে বিশ্বমানের এই ‘স্টেট অব দ্য আর্ট কোভিড-১৯ ল্যাব’ তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে গাজীপুরের চন্দ্রায় ড. ফরিদা হক মেমোরিয়াল জেনারেল হাসপাতালে প্রধান ল্যাবের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর সাভারে, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামেও পর্যায়ক্রমে ল্যাব তৈরি করা হবে।

আন্তর্জাতিক মানের এসব ল্যাব সেন্টারে প্রতিদিন ৪০০টি করে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শিফটসহ নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও বাড়ানো হবে। এতে ওষুধ এবং ল্যাব খরচ দেবে বিজিএমইএ।

অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম মহিউদ্দিন ব‌লেন, খুব শিগিরই চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে একটি করে দুটি ল্যাব করা হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে চারটি ল্যাব বসবে। এ ছাড়া নারী শ্রমিকদের জন্য আলাদা আইসোলেনশন সেন্টারও করা হ‌বে।

তিনি বলেন, শ্রমঘন শিল্প হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকিতে পোশাক শ্রমিকরা। এরই মধ্যে সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জে কিছু শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ঝুঁকি কমাতে যত বেশি সম্ভব শ্রমিকদের পরীক্ষার আওতায় আনা হবে।

সাংবাকিদের এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনের সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, কারখানার শ্রমিকরা করোনায় আরও বেশি আক্রান্তের শঙ্কা করেছিলাম। কিন্তু আমাদের চেয়ে গরিবদের সহ্য ক্ষমতা ও সচেতনতা বেশি। ফলে বুধবার রাত পর্যন্ত ২৬৪ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাইকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করছে মালিকপক্ষ।

করোনায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ধাক্কা খাবে পোশাক খাত, এই শঙ্কা প্রকাশ করে বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, তারপরও এ বছর পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার। করোনায় স্থগিত হওয়া ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ ভাগ অর্ডার পুনরায় ফিরে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন: