চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘পাত্র-পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপন দিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়

সংঘবদ্ধ প্রতারক সদস্যরা নিজেদের ঘটক পরিচয় দিত, পত্রিকায় পাত্র-পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা মানুষকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।

গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের গোয়েন্দা (পূর্ব) বিভাগের একটি টিম ডেমরার কোনাপাড়া শাহজালাল রোডের আয়েশা মঞ্জিলের চার তলার ফ্ল্যাট হতে আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

গ্রেফতারকৃতদের নাম মো: আব্দুল হালিম, মো: রনি, মো: মোবারক হোসেন, মোছা: রোজিনা, মো: সেলিম ওরফে ঘটক, মো: মঞ্জু, মো: রফিক, মো: মোস্তফা ও মো: হান্নান মাতাব্বর।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি ও দুই জোড়া হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন: প্রতারক চক্রের সদস্যরা পুলিশ, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত এবং মারধর করে মুক্তিপণ আদায় করতো এছাড়াও তারা পত্রিকায় ব্যবসায়িক ও পাত্র-পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দিয়ে আলোচনার নামে ব্যবসায়ীসহ অন্যান্যদের ডেকে এনে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করত।

তিনি আরো বলেন: মহিলাদের গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ও দেশ বিদেশে পাঠানোর নাম করে পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত করত।

এছাড়াও তারা নিরীহ ব্যক্তিদের বিদেশ পাঠানো নাম করে টাকা আত্মসাৎ করে। গতকাল রাতে দুই ব্যক্তিকে পাত্রী দেখানোর নামে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়।

এই প্রতারক চক্রের কবলে পড়া আজিজুর রহমান বলেন: চলতি মাসের ১২ তারিখে আমি এ চক্রের কবলে পড়ি। তারা প্রায় লাখ খানেক টাকা হাতিয়ে নেয়। চক্রের সদস্যরা আমাদের থানায় যোগাযোগ করতে না করে, বলে যোগাযোগ করলে পরিবারসহ হুমকির মুখে পড়বি। আমাদের থানায় ইনফর্মার রয়েছে, তারা আমাদের সব জানাবে।

এ ব্যাপারে যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন: পুলিশের কোনো চক্র যদি জড়িত থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা হবে।

Bellow Post-Green View