চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পপির খোঁজ পাচ্ছেন না পরিচালক, আটকে আছে ছবির কাজ

প্রায় ছয়মাস ধরে চিত্রনায়িকা পপির খোঁজ পাচ্ছেন না গণমাধ্যমকর্মীরা। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি থাকছে বেশিরভাগ সময় বন্ধ। মাঝেমধ্যে খোলা পাওয়া গেলেও তিনি ফোন ধরেন না। এসএমএস পাঠালেও সাড়া দেন না। একই অবস্থা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

চলচ্চিত্র পাড়ায় কান পাতলেই শোনা যায়, পপি গোপনে বিয়ে করেছেন! সংসার করছেন! তবে এসব খবরের কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র নেই।

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ রাজু আলী আলীমের পরিচালনায় ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন পপি। সিনেমাটির শুটিং প্রায় শেষ। পরিচালক চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, কয়েক মাস ধরে তিনি পপিকে খুঁজছেন। তার ইস্কাটনের বাসায় খোঁজ নিয়েছেন। কিন্তু সেখানে পপি থাকছেন না। রাজু আলীম বলেন, সিনেমায় পপির অল্প কাজ বাকি এবং ডাবিং পুরোটাই বাকি।

গেল ভালোবাসা দিবসে ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন রাজু আলীম। কিন্তু পপি কাজ শেষ না করায় ছবিটি মুক্তি দিতে পারেননি পরিচালক। তিনি বলেন, পপি আমার প্রিয় নায়িকাদের একজন। সেজন্য তাকে এই সিনেমায় নিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে ডুব দিবেন পপি, সেটা কখনোই ভাবিনি। কারণ, তাকে দীর্ঘদিন ধরে জানি। প্রযোজক পরিচালকদের সাথে তার আগের রেকর্ড খুব ভালো।

আরও তিনদিন শুটিং ও দুদিন ডাবিংয়ে পপি সময় দিলে সিনেমাটি পরিপূর্ণ হতো বলে জানান রাজু আলীম। তিনি বলেন, শুটিংয়ে না পেলেও পপির ডাবিং অবশ্যই লাগবে। পপিকে আরো তিনদিন শুটিংয়ে পেলে তার সঙ্গে আরও এক বড় তারকাকে অতিথি হিসেবে রাখতে চেয়েছিলাম। সিনেমায় তার উপস্থিতি পেলে বড় চমক হতো। পপিকে না পাওয়ায় সব আটকে আছে।

গেল বছর শুরু হয়েছিল ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ সিনেমার শুটিং। পরিচালক রাজু আলীম চেয়েছিলেন, ভালোবাসা দিবসে মুক্তি দিতে। সেটি সম্ভব হয়নি। তার ইচ্ছে আসন্ন ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেবেন। কিন্তু পপিকে খুঁজে না পেলে মুক্তি আটকে যাবে। তিনি বলেন, গল্পটা করোনাকালীন। এখনও করোনা চলমান। এই সময়ে সিনেমা রিলিজ দিতে পারলে মানুষ চমৎকার ভাবে গ্রহণ করতো।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’তে অভিনয় করেছেন রাজু আলীম নিজেও। তার বিপরীতে রয়েছেন পপি। আরও অভিনয় করেছেন শিপন মিত্র, মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ শিলা, প্রিয়মনি, খালিদ মাহবুব তুর্য, তানিন তানহা, মেহেদী পলাশ, সোনিকা প্রমুখ।

রাজু আলীম বলেন, প্রেম, বাস্তবতা ও করোনাকালে আমাদের ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধাদের জীবন যাপন নিয়েই এই সিনেমার গল্প। প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মাসুমা তানি।