চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে নারী নির্যাতনের আলামত সংগ্রহ করলো পিবিআই

রিমান্ড শেষে আদালতে ৩ আসামি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্যাতনের শিকার সেই নারীর ঘর থেকে জামা-কাপড়, বালিশ, বিছনার চাদরসহ মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

রোববার সকালে পিবিআই কর্মকর্তারা একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার সেই নারীর বাড়িতে যান। এ সময় তারা ভুক্তভোগীর ঘর থেকে তার তার ব্যবহৃত জামা-কাপড়, বালিশ, বিছনার চাদর এবং কয়েকটি কার্টুনসহ মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

বিজ্ঞাপন

এসময় বাড়ির পাশের খালে এবং পুকুরে আরো কিছু আদালত উদ্ধারের জন্য জাল ফেলে ও ডুবুরি নামিয়ে খোঁজাখুজি করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনকে স্বাক্ষী করে আলামতগুলোর জব্দ তালিকা প্রস্তুতের পর জেলা পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় নির্যাতিত নারীর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই এর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মামুনুর রশিদ পাটোয়ারি উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

গত শুক্রবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশনা অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ভুক্তভোগীর দায়ের করা দুটি মামলা পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়।

অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামী বাদল, সাজু ও রহমতকে রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হয়েছে। রোববার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ তিন আসামীকে নিয়ে জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হন। বিকেলে দুই আসামী বাদল ও সাজু আদালতে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন দিন মামলার ৫ আসামী ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল।

নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদি হয়ে গত রোববার রাতে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দুটি দায়ের করেন। দুই মামলার এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৬ জন এবং তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে ৫ জনকে।