চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নজিরবিহীন বছরের পর বাড়তি প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা জুমের

জুমের প্রধান এরিক ইউভানের ব্যবসা করোনাভাইরাস মহামারির সময়েই সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, বাড়ি থেকে কাজ করার বিষয়টা থেকেই যাবে।

ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের এই প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা এই বছর তাদের বিক্রি বৃদ্ধি পাবে ৪০ শতাংশ। তাদের মোট আয় দাঁড়াবে ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এই পূর্বাভাস প্রকাশের পরই নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ৬ শতাংশ বেড়ে যায়।  তবে বিনিয়োগকারীরা বুঝতে চেষ্টা করছেন এই পূর্বাভাস কতটা সফল হবে কারণ এরই মধ্যে অনেক ভ্যাকসিন বিতরণ চলছে এবং শারীরিক দূরত্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

জুম বলেছে, তারা আশা করছে না এই বছরও তাদের প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতোই থাকবে তবে ব্যবসা শক্তিশালী হবে।

২০২০ সালের শেষ তিন মাসে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি ৩৭০ শতাংশ বেশি ছিলো ২০১৯ সালের এই সময়ের তুলনায়।  ২০২০ সালে সেটা হয় ৮৮২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এরিক ইউভান বলেন, চতুর্থ ত্রৈমাসিকে জুমের জন্য অভূতপূর্ব বছরের এক শক্তিশালী সমাপ্তি চিহ্নিত হয়। মহামারি থেকে উঠে আসতে শুরু করেছে বিশ্ব আর আমাদের কাজ কেবল শুরু হলো।

মহামারিতে দূরে কাজ করার ক্ষেত্রে বড় বাধা তৈরি হয় সেখানে রাতারাতি পরিচিতি লাভ করে জুম।  সেখানে কিছু দূরবর্তী ব্যবসায়িক মিটিংয়ের জন্য চার্জ ধরা হলেও সাধারণ জনগণ খানিকটা বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ পায় জুম। ২০২০ সালে তাদের বিক্রি বেড়ে যায় ৩২৬ শতাংশ। সেটা গিয়ে দাঁড়ায় ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০১৯ সালের ২১.৭ মিলিয়ন থেকে ২০২০ সালে লাভ বেড়ে দাঁড়ায় ৬৭১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

কেউ কেউ তাদের কর্মীদের অফিসে ফেরালেও অনেকে মহামারি দীর্ঘতর হওয়ায় সেখানে বাড়তি নমনীয়তা দেখাতে চায়।

এ প্রসঙ্গে এরিক ইউভান বলেন, দূর থেকে এবং যে কোনো জায়গা থেকে কাজ করার ভবিষ্যত এখানে। আমরা আমাদের নতুন বাস্তবতা বুঝি। আমরা আমাদের কর্মীদের আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি এবং আমাদের গ্রাহকদের ভাগাভাগি করে কাজ করার ও সফল করার চেষ্টা করছি।

তবে হারগ্রেভস ল্যান্সডাউনের বিশ্লেষক সুসান্নাহ স্ট্রিটার বলেন, মাউক্রোসফট ও গুগলের সঙ্গে প্রতিযোগিতাকে কিভাবে সামলাবে সেটার উপরই নির্ভর করবে জুমের ভাগ্য। কারণ এই দুটি প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের ফিচার নিয়ে এসেছে।

বিজ্ঞাপন