চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন’ ফ্লপ করানোর জন্য ধন্যবাদ: মরগান ফ্রিম্যান

১৯৯৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন’। সাড়া পড়েনি মোটেও, যথারীতি বক্স অফিসেও চরমভাবে হয়েছিলো ব্যর্থ। তবুও এই ছবিটি আইএমডিবির সেরার তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে আছে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে।

বক্স অফিসে সিনেমাটি ব্যর্থ হওয়া নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই মরগান ফ্রিম্যানের। তিনি বরং ছবিটি ফ্লপ করানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন!

বিজ্ঞাপন

তিনি টুইট করেছেন, ‘থিয়েটারে দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন মুক্তির ২৬ বছর পেরিয়েছে। সর্বকালের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পাওয়া ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন’ ফ্লপ করানোর জন্য ধন্যবাদ।’

বিজ্ঞাপন

সিনেমার একটি সংলাপও তুলে দিয়েছেন ফ্রিম্যান। লিখেছেন, ‘আশা করি বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে এবং হাত মেলাতে পারবো। আশা করি আমার স্বপ্নের মতোই নীল হবে প্রশান্ত মহাসাগর।’

ফ্র্যাংক ড্যারাবন্ট পরিচালিত দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন বক্স অফিসে একেবারেই পাত্তা পায়নি। অথচ এই ছবিটিকে এখন মনে করা হয় সেরা ফিকশন ফিচার ছবিগুলোর একটি। মুক্তি পাওয়ার পর ফ্লপ ঘোষণা করা হলেও এযাবৎকালে ছবিটির আয় ১৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি!

স্টিফেন কিং এর বেস্টসেলার উপন্যাস ‘রিটা হেওর্থ অ্যান্ড শশাঙ্ক রিডেম্পশন’ এর কাহিনী অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এই ছবিটি। ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন’ হলো হাল না ছাড়া এক মানুষের গল্প। অ্যান্ডি ডুফ্রেইন নামের একজন তরুণ ব্যাংকার ১৯৪৬ সালে শশাঙ্ক প্রিজনে প্রবেশ করেন স্ত্রী হত্যার দায় মাথায় নিয়ে। মানুষটি জেল থেকে পালানোর জন্য ১৯ বছর ধরে ছোট্ট একটা হাতুড়ি নিয়ে একটু একটু করে টানেল খুঁড়েছে। ছবিতে বোঝানো হয়েছে যে মানুষ চাইলে সব কিছুই পারে।

এই চলচ্চিত্রে অ্যান্ডি ডুফ্রেইন চরিত্রে অভিনয় করেছেন টিম রবিনস। মূল চরিত্র টিম রবিনস এর হলেও মরগান ফ্রিম্যানের চরিত্রটিও মন ছুঁয়েছে সিনেমাপ্রেমিদের। ছবিতে আরও ছিলেন বব গান্টন, উইলিয়াম সেডলার, ক্ল্যান্সি ব্রাউন, গিল বেলোস, জেমস হুইটমোর প্রমুখ।

নন-ব্লকবাস্টার, নন-অ্যাকশন, নন ফ্যান্টাসির এই ছবিটি এত প্রশংসিত হওয়ার কারণ হলো ছবিতে মানুষের আবেগ এবং মনের দৃঢ়তা দেখানো হয়েছে। গতানুগতিক ধারার বাইরের ছবি এটি। নির্মাতা তার অসাধারণ কল্পনাশক্তি ব্যবহার করে নির্মাণ করেছেন ছবিটি। আর একারণে ছবিটি দেখার পরেও বহুদিন রেশ রয়ে যায় মনে। কইমই