চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যের পথে ট্রাম্প

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যের পথে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় তাকে বহনকারী বিশেষ উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ান লন্ডন স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে থাকছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। তাদের সম্মানে সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাকিংহাম প্যালেসে এক রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত জুলাইয়েও ট্রাম্প যুক্তরাজ্য সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এবারের সফরকে কেন্দ্র করে পুরো যুক্তরাজ্য জুড়ে বেশ কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। লন্ডন, ম্যানচেস্টার, বেলফাস্ট, বার্মিংহাম এবং নটিংহামে প্রতিবাদ র‌্যালি হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাজ্য সফরকে সামনে রেখে আগেই অবশ্য ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্য সান পত্রিকাকে বলেছেন, টেরেসা মে’র পদত্যাগের পর টোরি নেতৃত্বের অন্যতম পদপ্রার্থী বরিস জনসনকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তিনি।

এছাড়া দ্য টাইমস’কে তিনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনায় ব্রেক্সিট পার্টি প্রধান নাইজেল ফারাজের অংশ নেয়া দরকার।

সোমবার যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবি ঘুরে দেখানো হবে। এরপর তিনি প্রিন্স চার্লস এবং তার স্ত্রী ডাচেস অব কর্নওয়ালের সঙ্গে দেখা করে ক্ল্যারেন্স হাউজে তাদের চায়ের দাওয়াতে যোগ দেবেন।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় ভোজে ট্রাম্প, মেলানিয়া এবং রানী এলিজাবেথের সঙ্গে যোগ দেবেন ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ, প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্সেস কেট।

মাসখানেকেরও কম সময় আগে প্রথম সন্তানের জন্ম দেয়া ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল অবশ্য এই ভোজে থাকছেন না। কারণ হিসেবে ছেলে আর্চি অনেক বেশি ছোট হওয়াটাকেই দেখিয়েছে রাজপরিবার।

তবে মেগানের অনুপস্থিতির আরেকটা কারণ ধারণা করছেন অনেকেই। আর তা হলো মেগানের ট্রাম্প-বিরোধী মনোভাব এবং এ নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য।

ডোনাল্ড ট্রাম্প-যুক্তরাজ্য সফর-রাষ্ট্রীয় সফরে
ট্রাম্প-মেগান দ্বন্দ্ব নিয়ে চলছে ব্যাপক বিতর্ক

ব্রিটিশ রাজপরিবারের অংশ হওয়ার আগে তৎকালীন আমেরিকান অভিনেত্রী মেগান মার্কেল ‘বৈষম্যমূলক’ ও ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ নীতিমালার জন্য বহুবার প্রকাশ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এমনকি তিনি বলেছিলেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দেশ ছেড়ে কানাডা চলে যাবেন তিনি।

সম্প্রতি দ্য সান’কে সাক্ষাতকার দেয়ার সময় ট্রাম্পকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আগে জানতেনই না তিনি।

‘আমি তো এসব জানতাম না,’ বলেন ট্রাম্প, ‘কী আর বলব? আমি জানতাম না তিনি (মেগান) যে এত নোংরা মনের।’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর থেকে তা নিয়ে দু’দেশে চলছে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা। আর এটিই মেগানের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির সঙ্গে দেখা না করার মূল কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

Bellow Post-Green View