চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তামিমদের বিদায়, ফাইনালে মুখোমুখি শান্ত-মাহমুদউল্লাহ

তামিম ইকবাল একাদশের হারে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের দুই ফাইনালিস্ট নিশ্চিত হয়ে গেল সহজেই। প্রয়োজন পড়ল না রানরেটের হিসেব-নিকেশের। শুক্রবার দুপুর ২টায় মিরপুরে তিন দলের আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হবে নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একাদশ।

বুধবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তামিমদের ৭ রানে হারিয়ে শান্ত একাদশ সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে। চার ম্যাচে তাদের জয় তিনটিতে। মাহমুদউল্লাহ একাদশ চার ম্যাচে জয় পায় দুটিতে। তামিম একাদশের জয় মাত্র একটি।

বিজ্ঞাপন

শেষ ম্যাচে তামিমরা জয় পেলে তিন দলের পয়েন্টই সমান হয়ে যেত। তখন বিবেচনায় আনা হতো রানরেট। সে সুযোগ দেয়নি শান্ত একাদশ। লো-স্কোরিং ম্যাচে হারতে বসা ম্যাচ জিতে ফিরেছে তারা।

তাসকিন আহমেদের আগুনে বোলিং ম্যাচে ফেরায়। এ পেসার নেন ৩৬ রানে ৪ উইকেট। ৪১ ওভারে ১৬৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম একাদশ ২ বল আগেই ১৫৬তে গুটিয়ে যায়। তামিম ইকবাল করেন সর্বোচ্চ ৫৭ রান।

বিজ্ঞাপন

অধিনায়ক তামিম যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ম্যাচ হেলে ছিল তাদের দিকেই। বাঁহাতি ওপেনার দলের রান তিনঅঙ্কে পৌঁছে দিয়ে আউট হওয়ার পর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দল। শেষ ৫৩ রানে ৮ উইকেট হারালে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে তারা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা শান্ত একাদশের শুরুটা ভালো হয়নি। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে বৃষ্টিতে প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচ কমিয়ে আনা হয় ৪১ ওভারে। ৯ বল আগে ১৬৫ রানে অলআউট হয় দলটি।

মুশফিকুর রহিম ৫১ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব করেন ৪০ রান। সাইফউদ্দিন ২৬ রানে নেন ৫ উইকেট। টুর্নামেন্টে এটিই সেরা বোলিং ফিগার। ১২ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও এখন তিনিই।

বৃষ্টি আইনে তামিমদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৪ রান। জয়ের খুব কাছে গিয়েই হার দেখে তারা। সৌম্য সরকারের শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। তৃতীয় বলে ছক্কা মেরে আশা জাগিয়েছিলেন সাইফউদ্দিন। পরের বলেই লংঅনে ক্যাচ দেন তিনি।