জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করেছে বাঙালি জাতি। আজ পহেলা বৈশাখে বর্ণিল উৎসবে মেতে উঠতে সেজেছে দেশ।
সকালে ভোরের প্রথম আলো রাঙিয়ে দিচ্ছে নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনাকে। রাজধানীজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে বর্ষবরণের নানা আয়োজন।
প্রতি বছরের মতো দিনের প্রথম প্রভাতেই রমনার বটমূলের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ছায়ানট’ ভোরের সূর্যের আলো দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সরোদবাদন দিয়ে শুরু করেছে বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠান।
১৪২৬ বঙ্গাব্দকে সুরে সুরে গানে গানে বরণ করে নিচ্ছেন ছায়ানটের শিল্পীরা।
কবি গুরুর গান দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে উঠেছে সম্মোহনি সুর৷ এই সুরের ধারা চলবে সকাল পৌনে ৯টা অবধি।
ছায়ানটের অনুষ্ঠান ঘিরে পুরো এলাকাজুড়ে নেওয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনি। র্যাব, পুলিশ সব ধরনের গোয়েন্দাদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বুহ্য তৈরি হয়েছে রমনায়। রমনার বিভিন্ন গেটে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। প্রত্যেককে চেক করে রমনায় প্রবেশ করানো হচ্ছে।
কয়েক স্তরের নিরাপত্তা পেরিয়ে নতুন বছরে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে নানা শ্রেণি পেশার মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। সকল শংকা, আতংক, গ্লানি মুছে ফেলে বাঙালি জাতি আজ তার নিজ বছরকে আপন করে নিচ্ছে উদারভাবে৷ প্রত্যাশার পারুদ উড়িয়ে বাঙালি জাতি এগিয়ে যেতে চায় সম্মুখে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।








