চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে শেখ রেহানার অঙ্গীকার

দুর্নীতি ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার মধ্যদিয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর অঙ্গীকার করেছেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা।

মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী-মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভাষণে দেশের ভেতরে এবং বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশের সকল নাগরিককে মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে এই অঙ্গীকার করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি  কামনা করে শেখ রেহানা বলেন, এই দিনে আমরা সকলে মিলে অঙ্গীকার করি – আমাদের যা কিছু আছে, তাই দিয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং দারিদ্র্য-, দুর্নীতি- ও নিরক্ষরতামুক্ত দেশ গড়ব। সোনার বাংলাকে ভালবাসব। পরশ্রীকাতরতা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখব। ঘরে ঘরে মুজিবের আদর্শের দুর্গ তৈরি করে তার আলো ছড়িয়ে দিব। কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আমার বাবা আমাদের মাঝে নেই। তিনি আছেন কোটি মানুষের হৃদয় জুড়ে। এই দিনে আমি শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি মুজিবের রত্নগর্ভা মা শেখ সায়রা খাতুন এবং বাবা শেখ লুৎফর রহমানকে। আরও স্মরণ করি চিরদিনের সুখে-দুঃখে মরণের সাথী তাঁর প্রিয় ‘রেণু’-কে।

তিনি বলেন, বাবা বলতেন, ত্যাগ-তিতিক্ষা ছাড়া কোন জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। একটা মানুষ দেশের জন্য, মানুষের জন্য কতখানি ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন, তা আমরা খুঁজে পাই তাঁরই লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে। কোন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি তিনি। লোভ-লালসা ভোগ-বিলাস থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন, করেননি আপোষ। মানব কল্যাণই ছিল তাঁর ধ্যান-ধারণা, বিশ্বাসে-নিঃশ্বাসে। এমন মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আসেন। আসলেও তাঁরা ক্ষণস্থায়ী হন। আমার বাবা আমাদের মাঝে নেই। তিনি আছেন কোটি মানুষের হৃদয় জুড়ে।
আজকে এই দিনে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা সবাই মিলে হাত তুলে দো’য়া করি সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসীব করেন।

এর আগে রাত ৮টায় আতশবাজির মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণ শুরু হয়। এরপর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মধ্যদিয়ে মুজিববর্ষের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বিজ্ঞাপন