চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব তারকারা

পুলিশের হাতে অন্যায়ভাবে নিহত জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন তারকারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা ক্ষোভ এবং নিন্দা জানিয়েছেন এই ঘটনার বিরুদ্ধে।

ভায়োলা ডেভিস লিখেছেন, ‘আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ হলে যা হয়, এই অপরাধেই মরতে হলো। আমাদেরকে শত বছর ধরে নির্যাতন করা হচ্ছে।”

বিজ্ঞাপন

‘স্টার ওয়ার্স’ অভিনেতা জন বয়েগা নিহত ফ্লয়েডের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না, আমার পেট ব্যথা করছেন, ঘাড় ব্যথা করছে। পুরো শরীর ব্যথা করছে। তারা আমাকে হত্যা করবে।’

বিজ্ঞাপন

জাস্টিন বিবার লিখেছেন, ‘এসব অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এগুলো আমাকে অসুস্থ করে দিচ্ছে। এই মানুষটির মৃত্যুতে ভীষণ রাগ হচ্ছে। বর্ণবাদ খুব খারাপ। আমাদের এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত।’

অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে লিখেছেন, ‘জর্জ ফ্লয়েডের বেছে থাকার কথা ছিল। বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল তার। ফ্লয়েডের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

ডেমি লোভাটো বলেন, ‘এটা ঠিক না। সবাই নিজের যায়গা অবস্থান না নিলে এটা বন্ধও হবে না। বিশেষ করে সাদাদের এগিয়ে আসতে হবে।’

পপ তারকা নিক জোনাস ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘জর্জ ফ্লয়েড ও তার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। সাহায্যের চাইতে গিয়ে একটি পরিবার তাদের প্রিয়জন হারালো। এটি অমার্জনীয়।’

গিগি হাদিদ ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এখন তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা উচিত। এমন তো প্রায়ই ঘটে, ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলেই জানাজানি হয়েছে।

র‍্যাপার কার্ডি বি লিখেছেন, ‘অনেক হয়েছে। আর কতোটা হারালে সব ঠিক হবে? যুদ্ধ লাগবে? নতুন প্রেসিডেন্ট লাগবে? হিংস্র দাঙ্গা লাগবে? আমি টায়ার্ড। এই দেশ টায়ার্ড।’

৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েডকে ২৫ মে সন্ধ্যায় প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ পর একজন পুলিশ অফিসার হাঁটু দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরলে কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি মারা যান। ফ্লয়েড মিনোপোলিস শহরের একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এ ঘটনায় একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে করোনা উপেক্ষা করে প্রতিবাদে সরব হন শত শত মানুষ।