চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জনসনের ‘পালিয়ে’ যাওয়া প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না

লকডাউন ভেঙে পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সমালোচনা

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা ডমিনিক কামিংস। যিনি প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনেই পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

এবার নিজের করোনা উপসর্গ থাকার পরও লকডাউন ভেঙে পরিবার নিয়ে ২৬০ মাইল ভ্রমণ করে নতুন সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন। এই ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে। যদিও তিনি ‘স্পষ্টই’ জানিয়েছেন, পদত্যাগ  করবেন না।

বিজ্ঞাপন

ডমিনিক কামিংস দাবি করেছেন, ‘হঠাৎ করে তার স্ত্রীর করোনাভাইরাস ডিজিজ বা কোভিড-১৯ উপসর্গ দেখা দেওয়ায় শারীরিক উন্নতির জন্য লন্ডন থেকে ডারহাম ভ্রমণ করেন তারা।’

বিজ্ঞাপন

সেসময় তার সঙ্গে স্ত্রী ছাড়াও একমাত্র শিশু সন্তানও ছিল। প্রায় ২৬০ মাইল ভ্রমণ করেন তারা।

তিনি আরও বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে ভ্রমণ করে সঠিক কাজটি করেছেন। এতে কোনো সমস্যা দেখছেন না।’

বিজ্ঞাপন

এ ভ্রমণের খবর প্রকাশের পরপরই উঠেছে সমালোচনার ঝড় উঠে। তবে যাকে নিয়ে এই সমালোচনা, তিনি তা পাত্তাই দিচ্ছেন না। আর পদত্যাগের দাবিও উড়িয়ে দিয়েছেন।

দেশটির বিরোধীদল লেবার পার্টি ও স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) নেতারা ডমিনিক কামিংসের সমালোচনা করে বলছেন, সরকারি নির্দেশনা অবজ্ঞা করায় তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্ত শুরু করতে হবে।

এই কাজকে যুক্তিসঙ্গত ও আইনানুগ মন্তব্য করে ডমিনিক কামিংস বলছেন, ‘তিনি সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছেন কি না- সেটা নিয়ে কে চিন্তা করে? এখানে কাজটি যথার্থতা হয়েছে কি না, প্রশ্ন সেটা নিয়ে।’

গত ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এক টুইটবার্তায় নিজের শরীরে  করোনাভাইরাস পজেটিভ হওয়ার খবর জানান।

সেদিন অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ডমিনিক কামিংসও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ছিলেন। কিন্তু জনসনের আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনেই তিনি পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে ছুটতে থাকেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভির একটি ফুটেজে দেখা যায়, বাঁ হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে ডমিনিক কামিংস ছুটে পালিয়ে যাচ্ছেন।