চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কৃতদের শোডাউন

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত মহড়া দিচ্ছে। নেতৃত্বে ছিল বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর নামে দুটি গ্রুপ নিয়মিত ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছে ক্যাম্পাসে। তাদের মহড়ায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শোডাউনের নেতৃত্বে ছিল বহিষ্কৃত সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা। তাদের উপস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় বহিষ্কৃত নেতাদের দ্বারা যে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার আশংকা প্রকাশ করেছে ছাত্রলীগ কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ক্যাম্পাসে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বেশ আগে থেকে একটি চক্র ক্যাম্পাসে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। তারা যদি কেন্দ্রীয় সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু করার চেষ্টা করে তবে তাদের ব্যবস্থাও কেন্দ্রীয় সংগঠন করবে।

Advertisement

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ক্যাম্পাসে আমাদের কোন সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা শোডাউন দিচ্ছে তাদের অনেকেই বহিষ্কৃত। এখন ক্যাম্পাসে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তার দায়ভার আমাদের না।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত হওয়ার পর গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর গ্রুপ ও বুধবার সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের নামে আরেকটি গ্রুপ ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়। যার নেতৃত্বে থাকা আশরাফুল আলম জবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদ পাওয়ার পর স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছিল। মিছিলে থাকা যুগ্ম সম্পাদক হোসনে মোবারক রিশাত ও মশিউর রহমান লিজনকে চাঁদাবাজির দায়ে কেন্দ্রীয় সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। শোডাউনে থাকা বেশ কয়েকজন কর্মী ক্যাম্পাসে মারামারি ও সাংবাদিক পেটানোর দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হন। এদের মধ্যে ছিল সাংবাদিক মারধর করে বহিষ্কার হওয়া তানভীর চৌধুরী শাকিল, নুরে আলম। আর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে গাড়ি চালককে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হওয়া আল সাদিক হৃদয় ও আশিকুর রহমান।

এবিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।