চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘চাপে আর মচকাবে না ইংল্যান্ড’

ঘরের মাঠে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ব্যর্থ হওয়ার পর ভুল থেকে অনেক শিক্ষা নিয়েছে ইংল্যান্ড। সেই শিক্ষার বলেই এবার ঘরের মাঠের বিশ্বকাপ জিতে প্রথমবারের মতো ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে চায় ইংলিশরা। কথাগুলো বলেছেন স্বাগতিক অধিনায়ক ইয়ন মরগান।

আইসিসির সবশেষ বড় ইভেন্ট ২০১৭’র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো এবারের বিশ্বকাপেও ফেভারিট স্বাগতিক ইংল্যান্ড। যদিও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে কার্ডিফের স্লো পিচে পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। এখন মরগান বলছেন, পাকিস্তানের কাছে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে অনেক ভালো দলে পরিণত হয়েছে তাদের দল।

বিজ্ঞাপন

ডেইলি মেইলকে বিশেষ সাক্ষাতকারে ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেছেন, ‘২০১৭ সেমিফাইনালের পর ড্রেসিংরুমে দুটি বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল। এক, আমরা কী নিজেদের চেয়ে ভালো দলের কাছে হেরেছি? দুই, আমরা যে পিচে খেলেছি, সেটা কী আমাদের জন্য উপযুক্ত? সেই ম্যাচের পর থেকে আমরা একইরকম পিচে খেলেছি এবং সিডনি বা ওয়েলিংটনসহ সারাবিশ্বে অনেক ভালো ক্রিকেট খেলেছি।’

গত কয়েক বছরে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে ইংল্যান্ড। সে প্রসঙ্গ টেনে মরগানের সংযোজন, ‘আমরা এখন যত ক্রিকেট খেলছি, আমাদের ধরণ গত কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক থেকে ইতিবাচক হয়েছে। বেশি আগ্রাসণের সঙ্গে স্মার্ট ক্রিকেটেরও প্রকাশ ঘটেছে। যা নিয়ে আমি খুবই উত্তেজিত।’

বিজ্ঞাপন

এবারের বিশ্বকাপে মরগান যে দলের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন, নিঃসন্দেহে সেটা আসরের অন্যতম শক্তিশালী দল। শুধু তাই নয়, আইসিসির মেগা টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া ইংল্যান্ডের আগের যেকোনো দলের চেয়েও এটা সেরা বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যতম ফেভারিট হওয়ায় ৫০ ওভারের প্রথম বৈশ্বিক ট্রফি জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের এই দলটির প্রতি প্রচুর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ থেকে তাদের বিদায়ের পর মরগান পরিবর্তনশীল এক ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এসময় আইসিসির র‌্যাঙ্কিংয়েও তাদের লক্ষণীয় উন্নতি দেখা যায়। আইসিসির সবশেষ আপডেট করা ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের একনম্বর দল ইংল্যান্ড। মরগানের অধীনে ৮২টি ওয়ানডে খেলে ৫৩টিতে জয় পেয়েছে ইংলিশরা।

মরগান বলছেন, তার দল এখন চাপ বহনে অভ্যস্ত হয়ে গেছে, ‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগেও ফেভারিট বিষয়টা নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু আমরা সেমিফাইনালে হেরে যাই। আবারও আমরা সেটা শুনছি। আমরা অবশ্য আগ থেকেই ফেভারিট তকমাটা প্রমাণের চেষ্টা করেছি, সেটা আমাদের গত প্রতিটি সিরিজের মধ্যেও প্রতিফলিত হয়েছে। ছেলেরা এখন দুর্ভাবনাহীন, ফেভারিট শব্দটা শোনার বিষয়ে তারা এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ভালো প্রস্তুতির জন্য এখন কী করা দরকার তাদের কাছে এখন সেটাও একটি ব্যাপার।’

বিশ্বকাপের আগে ৩মে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। তারপরই পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টি-টুয়েন্টি ও পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে। আর ৩০মে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে স্বাগতিক ইংলিশদের বিশ্বকাপ যাত্রা।

Bellow Post-Green View