চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮ শতাংশ: এডিবি

টিকা কিনতে বাংলাদেশকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি।

বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছে এডিবি। এ সময় সংস্থাটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

এডিবি বলেছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামনে রেখে বাংলাদেশকে টিকা কিনতে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত যেকোন টিকা কিনতে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে সরকার। কেবল টিকা কেনা নয় বরং তা সংরক্ষণ, পরিবহন এমনকি স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণও দিতে চায় তারা।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বিষয়ে এডিবি বলেছে, করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের দেয়া প্রণোদনার সুফল মেলার পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ফলে ২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

আর বিশ্ব অর্থনীতির টেকসই পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি ও আমদানির গতি বাড়লে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে এডিবি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, তবে এই প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের উপর।

তার মতে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের চাপে এটি ৫ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৮ শতাংশও হতে পারে।

এর আগে গত ৩০ মার্চ বিশ্বব্যাংক বলেছে, এই প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২ দশমিক ৬ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও করোনার কারণে তা ৭ দশমিক ৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

মহামারি করোনার ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

করোনার ভ্যাকসিন সংকট প্রেক্ষাপটে মনমোহন বলেন, বাংলাদেশে অনেক কোম্পানির উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। তাই দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনে জোর দিতে বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও ধীরে ধীরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির শক্তিশালী ধারায় ফিরবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি।

বিজ্ঞাপন