চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গ্রিজম্যান-সুয়ারেজ ছাড়া গতি নেই মেসির

কেবল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বাকি আছে, জিততে না পারলে ২০০৭-০৮’র পর শিরোপাহীন আরেকটি মৌসুম শেষের হতাশা জুটবে লিওনেল মেসির বার্সেলোনার। যা থেকে বাঁচার জন্য হাতে তিন সপ্তাহের মতো সময় বাকি। এরমধ্যে দুই সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ ও অ্যান্টনিও গ্রিজম্যানকে নিজেদের ভুলত্রুটি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে হবে বার্সা অধিনায়ককে।

তিন সপ্তাহ বলা হলেও আসলে মেসিরা সময় পাচ্ছেন দুসপ্তাহ। ব্যর্থ লা লিগা মৌসুম শেষে একসপ্তাহের ছুটি পেয়েছেন বার্সার খেলোয়াড়রা, ৮ আগস্ট নাপোলির বিপক্ষে নিজেদের মাঠে মুখোমুখি হওয়ার আগে মানসিক জোড় বাড়াতে ছুটি কাজে লাগতেই পারে মেসিদের।

বিজ্ঞাপন

ছুটি শেষে কোচ কিক সেতিয়েনের ফর্মেশন নিয়েও বসতে হবে মেসিদের। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ৪-৪-২ ফর্মেশনে সাফল্য পেয়েছিলেন সেতিয়েন, হয়তো চ্যাম্পিয়ন লিগে তা দিয়েই কাজ চালাবেন কোচ। সেতিয়েনের ফর্মেশনে সুয়ারেজ ও গ্রিজম্যান থাকেন উপরে, পেছনে মেসি। কেবল এই একটি ফর্মেশন যদি কাজে লাগে, তবেই সাফল্য মিলতে পারে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন আছে মেসি-সুয়ারেজ-গ্রিজম্যানদের ফর্ম নিয়েও। যদিও এবারো পিচিচি ট্রফি জিতেছেন মেসি। তবে গত দশ বছরের সব খারাপ সময়টা বোধহয় এবারই পার করলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। কয়েক ম্যাচে তো তাকে চেনাই যায়নি, পাননি গোল। বার্সাও গত কয়েক মৌসুমের মধ্যে সবচেয়ে কম গোল করেছে এবার।

ছন্দে ছিলেন না মেসির বন্ধু ও সতীর্থ লুইস সুয়ারেজও। মেসির মতোই এবার নিজেও কম গোল করেছেন উরুগুয়ে ফরোয়ার্ড, ১৯টি। অবশ্য পেছনে চোটেরও দায় আছে। চার মাস চোট কাটিয়ে ফেরার পর করোনা বিরতির শেষে একপ্রকার চেনাই যায়নি সুয়ারেজকে। স্বাভাবিক ছন্দের ধারেকাছেও ছিলেন না। দলের গোল করার পুরো চাপটা ছিল তাই মেসির কাঁধেই।

প্রশ্নের উত্তর মিলতে হবে গ্রিজম্যানের ব্যাপারেও। সেতিয়েনের খেলার ধরনের সঙ্গে বোধহয় একেবারেই মানাতে পারছেন না ফরাসি ফরোয়ার্ড। এমনকি করোনা বিরতির পর মূল একাদশে তার জায়গাও হচ্ছে কম। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে হলে যে গ্রিজম্যান, সুয়ারেজকে ফর্মে ফেরানোর পাশাপাশি নিজেকে গোলের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে মেসিকে, সেটা তিনি ছাড়া আর কারও ভালো জানার কথা নয়।