অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের নামে তার করা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলের জন্য অবৈধভাবে কর সুবিধা নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে ‘প্রযুক্তি খাতে রফতানির সম্ভাবনা’ শীর্ষক মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন মন্ত্রী।
এ বিষয়ে তদন্ত চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মুহাম্মদ ইউনূস অসংখ্য প্রতিষ্ঠান খুলেছেন। সবগুলোর হিসাব আমাদের কাছে নেই। এসবের বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
তিনি জানান, দেশের প্রচলিত নিয়ম মেনে তদন্ত শেষে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদেও নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘তিনি ট্যাক্সও দেন না। তার প্রচুর টাকা। কোথা থেকে এল এই টাকা? এটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাইনি। এটা অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি ব্যবস্থা নেবেন।’
এসময় শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেন, মুহম্মদ ইউনূস, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এবং তাদের লবিষ্টদের কারণেই বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু থেকে নিজেদের সরে নিয়েছিল।
গ্রামীণফোনের টাকা দরিদ্র মানুষের কাছে যাওয়ার কথা থাকলেও ড. ইউনূস প্রতারণা করেছেন বলেও জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।










