চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গণ ভ্যাকসিনে তিন কোটি লোক দুই ডোজের আওতায়

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে অনেক এগিয়ে আছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ করে, টিকা দিয়ে ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনেক এগিয়ে আছে। এখানে মৃত্যুর হারও অনেক দেশ থেকে কম ছিল, এখনও আছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত নাজুক হলেও এবার করোনা মোকাবেলায় বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।

গণটিকাদান কর্মসূচিতে ৮০ লাখ মানুষকে করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকা বৃহস্পতিবার দেয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি তাঁদের আছে। এ কর্মসূচিতে সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখে ৮০ লাখ মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। ওই দিন ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁরা ৮০ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৬ জনকে প্রথম ডোজ টিকা দিতে পেরেছিলেন। কালকের কর্মসূচি ঠিকভাবে পালিত হলে প্রায় তিন কোটি মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আসবেন। এর মাধ্যমে দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পাবেন।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব শামসুল হক বুধবার সকালে বলেন, ‘কাল ৮০ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। সব জেলায় টিকা পাঠানো হয়েছে। আশা করি, গত মাসে যাঁরা প্রথম ডোজ পেয়েছিলেন, তাঁরা সবাই কাল দ্বিতীয় ডোজ পাবেন।’ নিয়মিত করোনার টিকাদানকেন্দ্রের বাইরে ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় এ বিশেষ টিকাদানের আয়োজন করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর উদ্দেশ্য অল্প সময়ে বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক গত মাসে বলেছিলেন, একসঙ্গে অনেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা ও টিকাদানের গতি বাড়াতে প্রতি মাসে একবার গণটিকাদান কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

সরকারের গণ ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে প্রায় তিন কোটি মানুষ টিকা পেলে একটি মাইল ফলক অর্জিত হবে। দেশকে করোনা মুক্ত করার লক্ষ্যে এই ভ্যাকসিন কর্মসুচি ভবিষ্যতে আরও প্রসারিত হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা মনে করি সরকার এইভাবে সাধারণ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়ার কর্মসূচি অব্যাহত রাখলে অচিরেই দেশকে করোনামুক্ত করার ব্যাপারটি সফল হবে। সরকারকে আমরা এই প্রয়াসের জন্য সাধুবাদ জানাই।

বিজ্ঞাপন