চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্রিসমাস-ঈদের ৯ মাস পর জন্মহার বেশি: গবেষণা ফল

বড় উৎসবের ঠিক ৯ মাস পরে প্রচুর নবজাতকের জন্ম হয়। আর তার কারণ হলো ক্রিসমাস এবং ঈদের মতো বড় ছুটিতে মানুষের যৌন আকাঙ্খা বাড়ে। গবেষণা এমনটাই জানিয়েছে।

সাইন্টিফিক রিপোর্ট জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খ্রিস্টান প্রধান দেশগুলোতে জন্মের হার সবচাইতে বেশি হলো সেপ্টেম্বর মাসে। অর্থাৎ ক্রিসমাসের ঠিক নয় মাস পরে জন্মের হার অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। দেখা গেছে মুসলিমদের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একইরকম। বিশেষ করে ঈদ উল ফিতরের নয় মাস পর অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি নবজাতকের জন্ম হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরো বিশ্বের ক্ষেত্রেই বিষয়টি একইরকম। আবহাওয়া এই ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে না, শুধু উৎসবই রাখছে। কারণ, দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত খ্রিষ্টান প্রধান দেশগুলোতে ক্রিসমাস অনুষ্ঠিত হয় সামারে।

বিজ্ঞাপন

গবেষণার সহ গবেষক ইনডিয়ানা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইনফরমাটিক্স, কম্পিউটিং এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রফেসর লুইস রোচা বলেন: উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধের জন্ম হার এবং অনলাইন ইন্টারেস্ট এর সেক্স ট্রেন্ড এ আমরা কোনো পার্থক্য পাইনি।

তিনি বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, ‘জন্মহার এবং অনলাইন সার্চের মুড নির্ভর করছে কালচারের উপরে।’

উৎসবের সময় মানুষের অনুভূতি নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষকরা নতুন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। অনুভূতির সঙ্গে সেক্স সম্পর্কিত গুগল সার্চের বিষয়টিও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। উৎসবের আগের, উৎসবের সময় এবং পরের এক সপ্তাহের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে গবেষণার জন্য। দেখা গেছে, এই সময়ে মানুষের যৌন আকাঙ্খা অন্য সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। অনলাইনে ‘সেক্স’ বিষয়ক সার্চের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে মানুষ অনেক বেশি সুখী থাকে এই সময়টাতে।

থ্যাংকস গিভিং এবং ইস্টারের মতো উৎসবগুলোতেও এই প্রবণতা বাড়ে। তবে তা ক্রিসমাস এবং ঈদ-এর মতো এত বেশি প্রভাব ফেলে না। ইন্ডিপেনডেন্ট

বিজ্ঞাপন