চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কারাবন্দী খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার করা জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছে।

রোববার দুপুর ২ টার পর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু করেন।

আদালতে খালেদার জামিন আবেদনের পক্ষে আছেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে আছেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের এই বেঞ্চে খালেদার জামিন আবেদন করা হলে আদালত জামিন শুনানির জন্য রোববার দুপুর ২ টা সময় নির্ধারণ করে দেন।

বিজ্ঞাপন

সেই সঙ্গে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার করা আপিল এইদিন শুনানির জন্য গ্রহণ করে এই মামলায় খালেদাকে বিচারিক আদালতের করা জরিমানা স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠাতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। একইদিন বিকেলে সে আপিল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হলে আদালত খালেদার আপিল গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের ১১ দিন পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা সত্যায়িত অনুলিপি পান বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আর তার ছেলে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সেই সাথে খালেদা তারেক সহ সবাইকে মোট ২ কোটি ১০ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা জরিমানা করা হয়।

বিচারিক আদালতের এই রায়ের পর আদালত থেকেই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এখন তিনি সেখানেই আছেন।

বিজ্ঞাপন