চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কর্ণফুলী পাড়ে বন্দরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ

কর্ণফুলী নদীর পাড়ে চট্টগ্রাম বন্দরের যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে তা উচ্ছেদ করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দরের চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ’র (এইচআরপিবি) পক্ষে করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, এর আগে আদালতের যে আদেশ ছিল সেখানে ডেপুটি কমিশনারসহ ৫ বিবাদিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য। কিন্তু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। আর এখন যে জায়গাগুলোতে অবৈধ স্থাপনা আছে সে জায়গাগুলো মূলত বন্দরের। সে জন্য আমরা আদালতের কাছে একটি নির্দেশ প্রার্থনা করেছিলাম বন্দরের চেয়ারম্যানকে একটা নির্দেশ দেয়ার জন্য। দীর্ঘ শুনানি শেষে বন্দরের চেয়ারম্যান ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলোর জরিপ প্রতিবেদন ও আরএস অনুসারে উচ্ছেদ করে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে। আগামী ১৯ মে এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হয়েছে।

২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট আদালত কর্ণফুলী নদীর তীরে থাকা দুই হাজার ১৮৭টি অবৈধ স্থাপনা সরানোর পাশাপাশি রায়ে ১১ দফা নির্দেশনা দেয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলী নদীর পাড়ের ২১৮৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। কিন্তু হঠাৎই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোববার আবার এ আবেদন করে রিটকারী পক্ষ।

বিজ্ঞাপন