চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও শনাক্ত সর্বোচ্চ ৭৮৬

দেশে কোভিড-১৯ শনাক্তের ৫৯তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এসময়ে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৯৩ জন।

মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় হাজার ১৮২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭১১টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৯৩ হাজার ৪০৫টি।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান: নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৭৮৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৯২৯ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টা সুস্থ হ‌য়ে‌ছেন আরও ১৯৩ জন। এ নি‌য়ে মোট সুস্থ হ‌য়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৩ জন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: নতুন করে যে একজন জন মারা গেছেন তিনি পুরুষ, রাজধানীর বাসিন্দা। তার বয়স ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে করোনার বিস্তার রোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৩৬ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন বারো লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। পরে পঞ্চমবারের মতো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।