চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা বর্জ্যে বাড়ছে সাগরের দূষণ

পৃথিবীব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলার কারণে বায়ু দূষণ অনেক কমতে শুরু করেছে। প্রকৃতি নানাভাবে মেলে ধরতে শুরু করেছে তার আপন মহিমা।

কিন্তু এর ঠিক বিপরীত চিত্র সাগরে। একদল সংরক্ষণবাদী সতর্ক করে জানিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে মারাত্মকভাবে বাড়ছে সাগরের দূষণ। 

বিজ্ঞাপন

ফ্রান্স ভিত্তিক ওই পরিবেশ সংরক্ষণবাদী দল  জানিয়েছে,  আগের প্লাস্টিক বর্জ্যর দূষণের সাথে যুক্ত হয়েছে করোনায় ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজারের বোতল। যা সাগরের তলদেশে জেলিফিশির মতো ভেসে বেড়াচ্ছে। 

তাদের কর্মীদের প্রতিদিনের প্রাপ্ত তথ্যে থেকে গত মাসে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, কোভিড বর্জ্য ডিসপোজাল কাপ এবং অ্যালুমিনিয়াম ক্যানের সাথে মিশে ভূমধ্যসাগরে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে।

বিজ্ঞাপন

ওই পরিবেশ সংরক্ষণবাদী দলের প্রধান পেলটেয়ার জানিয়েছে, সাগরে যে বিপুল পরিমান মাস্ক, গ্লাভস পাওয়া গেছে তা আমাদের ধারণার চেয়ে অধিক বেশি। এর ফলে আরেক প্রকার দূষণের চিন্তার উদ্বেগ সৃষ্টি হলো।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্ট তারা দাবি করেন, শুধু ফ্রান্স একা দুই বিলিয়ন ডিসপোজাল মাস্কের অর্ডার দিয়েছে। এর ফলে খুব তাড়াতাড়ি ভূমধ্যসাগরে জেলিফিশের চেয়ে মাস্কের পরিমান বাড়বে।

সাগরের দূষণের ছবি প্রকাশ করে পরিবেশ সংরক্ষণবাদী ওই দলটি জানিয়েছে, আমরা আশাবাদী যে এর ফলে পুনঃব্যবহার উপযোগি মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহারে জনগণ উৎসাহিত হবে। প্লাস্টিক কখনো কোভিড থেকে রক্ষার সমাধান হতে পারে না বলে দাবি করেন তারা।

জাতিসংঘের পরিবেশ সূত্রমতে ২০১৮ সালে ১৩ মিলিয়ন টন প্লাস্টিকের বর্জ্য প্রতি বছর সাগরে যাচ্ছে। যার মধ্যে প্রতি বছর শুধু ভূমধ্যসাগরে যায় ৫ লাখ  ৭০ হাজার টন প্লাস্টিক।

ডাব্লিউ ডাব্লিউ এফের মতে, প্রতি মিনিটে প্রায় ৩৩ হাজার ৮০০ প্লাস্টিকের বোতল  সাগরে যায়।