চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনার ভ্যাকসিন নেয়া বাংলাদেশি-মার্কিন চিকিৎসক বললেন নানা কথা

ডা. রুমি আহমেদ খান বাংলাদেশী-মার্কিন চিকিৎসক, বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে অবস্থিত রিজিওনাল মেডিক্যাল সেন্টারে মেডিসিনের (রেসপিরেটরি ও আইসিইউ) সহযোগী অধ্যাপক। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে ডাক্তারি পাশ করে ১৯৯৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের প্রথম থেকেই এই সম্মুখযোদ্ধা সরাসরি চিকিৎসা সেবায় যুক্ত আছেন।

ফোনে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের বিভিন্ন দিক নিয়ে এবং করোনায় আক্রান্ত ও সুস্থ হওয়াদের বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা থেকে কথা বলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

কোন পথে কোন ভ্যাকসিন?
করোনাভাইরাসে বর্তমানে সারাবিশ্বে ৮ কোটি ৬১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, আর প্রাণ হারিয়েছে ১৮ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে ৬ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে করোনার ভ্যাকসিন এই মুহূর্তে বিশ্বে সবচেয়ে কাঙ্খিত বস্তু।

সদ্য করোনার ভ্যাকসিন নেয়া ডা. রুমি ভ্যাকসিন বিষয়ে বলেন, মানব ইতিহাসে করোনার ভ্যাকসিন বেশ দ্রুততম সময়ে আসতে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফাইজার-বায়োএনটেক ও মর্ডানা, যুক্তরাজ্যে ফাইজার-বায়োএনটেক ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা সবচেয়ে এগিয়ে আছে ভ্যাকসিন মুক্তির দৌড়ে। ফাইজার-বায়োএনটেক ও মর্ডানার ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নতুন একটা টেকনোলজি ব্যবহার করে বানানো, আর অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রচলিত টেকনোলজি ও নতুনের মিশ্রণে তৈরি। এছাড়াও চীনের সিনেভ্যাক, সিনোফার্মা ও ক্যানসিনো তাদের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, নানা পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল শেষের দিকে। এরবাইরে রাশিয়ার স্পুটনিক, বহুজাতিক জনসন এন্ড জনসনের ভ্যাকসিন। দেখা যাবে কয়েকটি ভ্যাকসিন খুব দ্রুত একসাথে চলে আসবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ফাইজার-বায়োএনটেক ও মর্ডানাকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে, কিন্তু অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে অনুমোদন দেয়া হয়নি। আর যুক্তরাজ্যে ফাইজার-বায়োএনটেক ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ওইসব ভ্যাকসিন ইতিমধ্যে প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

ভ্যাকসিন কত তাপমাত্রায় রাখতে হয়?
বিভিন্ন ভ্যাকসিন বিষয়ক আলোচনায় তার সংরক্ষণ ও পরিবহনের বিষয়টি বেশ আলোচিত হচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ফাইজারের ভ্যাকসিন মাইনাস ৯০ ডিগ্রি তাপমাত্রায়, মর্ডানার ভ্যাকসিন মাইনাস ২০ ডিগ্রি ও অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন অন্য সাধারণ ভ্যাকসিনের মতো সাধারণ ফ্রিজে ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব। এই সংরক্ষণ নিয়ে নানা ধরণের প্রচলিত যে শঙ্কা আমরা চারপাশে দেখতে পাচ্ছি, তা পুরোপুরি অমূলক। কারণ প্রতিটি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেই উৎপাদন ও বোতলজাত করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। চিন্তার কিছু নেই।

কিছু ভ্যাকসিন মূল ফ্রিজার থেকে বের করার পরে ৩ থেকে ৫ দিন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখলেও কিছু হবে না বলেও জানান ডা. রুমি।

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিন ভীতি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। মার্কিন মুল্লুকে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরেও কেনো এতো মৃত্যু, এই বিষয়ে ডা. রুমি বলেন, আমার ধারণা বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা নেহাতই কম না। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিটি মুহূর্তে আক্রান্ত, মৃত ও সুস্থ হওয়ার সংখ্যা প্রকাশ করছে বলেই হয়তো এতো বেশি মনে হচ্ছে। সঠিক ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে তথ্য প্রকাশ হলে অন্যান্য দেশেও মৃত্যু ও আক্রান্তের হিসেব বাড়বে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অনেকে করোনার ভাকসিন দিতে চাচ্ছে না বলে যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, সে বিষয়টি অতিরঞ্জিত বলে জানিয়েছেন তিনি। এই চিকিৎসক বলেন, করোনার ভ্যাকসিন দিতে চাচ্ছে না, এটা ঢালাওভাবে ঠিক না। একটা গ্রুপ সবসময়ই আছে, যারা যেকোনো ধরণের ভ্যাকসিন এড়িয়ে চলে। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। আমি যেখানে থাকি, ফ্লোরিডাতে ভ্যাকসিন দেয়া হবে ঘোষণার ১৬ ঘন্টার মধ্যে অনলাইনে ৪৮ হাজার রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে প্রথম পর্যায়ে। আর পাশের একটি ডিস্ট্রিক্টে বিশাল লাইন দিয়ে মানুষ রেজিষ্ট্রেশন করছে। আশেপাশের মানুষের প্রচুর আগ্রহ আছে ভ্যাকসিন বিষয়ে।

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতির ভাল-মন্দ
বাংলাদেশে করোনায় মোট আক্রান্ত শনাক্ত ৫ লাখ ১৬ হাজার ৯২৯ জন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৫ হাজার ৮১৫ জন এবং ১ হাজার ৮৩৫ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন। সবমিলিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৪ লাখ ৬১ হাজার ৫১৫ জন। গেলবছর অক্টোবর থেকেই দেশে সেইঅর্থে কড়াকড়ি কোনো বাধ্যবাধকতা নেই মাস্ক পরা আর হাত ধোয়ার মতো সাধারণ নিয়ম ছাড়া। আক্রান্ত হবার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র গণপরিবহনে সেই আগের গাদাগাদি চিত্র ও গণজমায়েত থেমে নেই। এরপরেও অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় আক্রান্ত-মৃতের সংখ্যা বেশ কম।

ডা. রুমি আহমেদ খান

বিজ্ঞাপন

ডা. রুমি এ বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ শুরু হবার সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছিল। সেই অবস্থা থেকে সবকিছু যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তা খুবই প্রশংসার দাবিদার। সম্মুখযোদ্ধা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দ্রুততার সাথে পরিস্থিতি মেনে নিয়ে ও করোনায় করণীয় বিষয় নিজে থেকে শিখে মানুষের পাশে আছে। আমি মনে করি, করোনা বিষয়ে আমি যতোটা জানি বা খোঁজ রাখছি, দেশের চিকিৎসকরাও সেরকমই খোঁজ রাখছেন। তাছাড়া সরকার স্বাস্থ্যখাতে কিছু দুর্নীতির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা নেবার কারণে পরিবেশ অনেকটাই ভাল হয়েছে।

দেশের মানুষ আক্রান্ত যেমন হচ্ছে, তেমনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে। এ বিষয়ে ডা. রুমি বলেন, এটি একটি আশ্চর্য বিষয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এর কোনো সঠিক কারণ হয়তো এখনো বের হয়নি, হয়তো সামনের দিনে বের হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশে আগে থেকেই ৪টি স্ট্রেইনের হিউম্যান করোনাভাইরাসের এন্টিবডি আছে দেশের বড় একটি অংশের মধ্যে। হয়তো যেগুলো আসলে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পরোক্ষ ভূমিকা রাখছে।

করোনার চিকিৎসা করতে অহেতুক নানা ধরণের ওষুধ ও সিটিস্ক্যান করার প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আসলে করোনার অতি চিকিৎসা চলছে। প্রয়োজন ছাড়াই এন্টিবায়োটিক সেবন ও দফায় দফায় বুকের সিটিস্ক্যান করতে দেখা যাচ্ছে। যেগুলোর আসলে কোনোই প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ এগুলোর মারাত্মক সাইড ইফেক্ট আছে। রোগীর বিভিন্ন লক্ষণ দেখে বড়জোড় একটি সাধারণ এক্সরে করা যেতে পারে। করোনার মূল সমস্যা হচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা। কাজেই অক্সিজেন লেভেল নিয়মিত পরীক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনে স্টেরয়েড দেয়া ছাড়া কোনো কার্যকর চিকিৎসা আর নেই।

বাংলাদেশ ভ্যাকসিন কার্যক্রম
সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে রয়েছে চরম আগ্রহ। কোন ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কেমন, কোন ভ্যাকসিন আসছে, কোনটা নেবে কি নেবে না..এইসব বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের দোকানে আলোচনার বিষয়। করোনা ভ্যাকসিন প্রাপ্তির বিষয়ে বাংলাদেশের ভ্যাকসিন কূটনীতি বিষয়ে কিছু না বললেও ভ্যাকসিন আসার পরে তা প্রয়োগের বিষয়ে কিছু ব্যবস্থাপনাগত জটিলতা হতে পারে বলে সতর্ক হতে বলেছেন ডা. রুমি আহম্মদ খান।

তিনি এ বিষয়ে বলেন, আমার একটা বড় শঙ্কা হচ্ছে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম বিষয়ে। বলা হচ্ছে, আমাদের দেশের কয়েকযুগ ধরে ভ্যাকসিন দেবার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু একটু ভালভাবে খেয়াল করলেই আপনার বুঝতে পারবেন, সেটা আসলে প্রাপ্তবয়স্ক গ্রুপের ভ্যাকসিন না। সেগুলো বিশেষ কিছু রোগের জন্য শিশুদের ভ্যাকসিন। বিভিন্ন বয়সী, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের মধ্যে করোনা ভ্যাকসিন কীভাবে দেয়া হবে, তা আসলে বিরাট একটি প্রশ্ন।

ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার ও প্রয়োগের সময় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে ডা. রুমি বলেন, ভ্যাকসিন কে পাবে কে পাবে না তা নিয়ে জনগণের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এই বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার। তাছাড়া শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনায় কত দ্রুত কত মানুষের কাছে এই ভ্যাকসিন পৌঁছানো সম্ভব, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমি মনে করি, এটাকে প্রথম থেকেই সরকার ছাড়াও এনজিও ও প্রাইভেট সেক্টরের হাতে ছেড়ে দিতে হবে। সরকার পুরো বিষয়টি শুধুমাত্র তাদের হাতে রাখলে জট বেঁধে যাবে, যেমনটি হয়েছিল প্রথম দিকে করোনা পরীক্ষায়। সেসময় শুধুমাত্র সরকারী হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা হওয়ায় পরীক্ষা দেরি হচ্ছিল, পরে অবশ্য প্রাইভেট সেক্টরকে যুক্ত করায় পরীক্ষা সহজ হয়েছে। সেভাবে ভ্যাকসিন দেবার ক্ষেত্রেও পরে না দিয়ে প্রথম থেকেই প্রাইভেট সেক্টরকে যুক্ত করা উচিত।

ভ্যাকসিন কারা আগে বা পরে পাবে, সে বিষয়ে তিনি বলেন, একটি টাস্কফোর্স তৈরি আর কিছু খসড়া পরিকল্পনা প্রকাশ ছাড়া তেমন কিছু বুঝতে পারছি না। আমি মনে করি, ভ্যাকসিন প্রয়োগ তালিকায় কারা আগে থাকবে তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে আলোচনা করা উচিত। এছাড়া প্রয়োগের প্রথম দিকে সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধা স্বাস্থ্যকর্মীদের পরেই ৭৫ উর্ধ্ব সব মানুষকে যুক্ত করা দরকার। মাঠ পর্যায়ের কাজে যাতে কোনো ধরণের অনিয়ম না হয়, সেজন্য সার্বিক কার্যক্রমে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও যুক্ত করা যেতে পারে।

আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়াদের এন্টিবডি কতোদিন?
করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া মানুষের শরীরে ঠিক কতোদিন এন্টিবডি থাকে? একাধিকবার আক্রান্ত হবার ঝুঁকি আছে কি? নাকি একবার আক্রান্ত হলে আর ঝুঁকি নেই? এসব সারাবিশ্বে একটি বহুল আলোচিত প্রশ্ন। কেউ বলছে আক্রন্ত হলে ৩ মাস, কেউ বলছে ৬ মাস আর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই।

এ বিষয়ে ডা. রুমি বলেন, এটি নিয়ে আসলে এখনও গবেষণা চলছে। তবে মোটামুটি ধরে নেয়া হয় ৬ মাস পর্যন্ত এন্টিবডি বেশ কার্যকর থাকে। এরপরে আক্রান্ত হলেও করোনা খুব একটি ক্ষতি করতে পারে না। সাধারণ সর্দি-জ্বর টাইপ লক্ষণ দেখা যেতে পারে। তবে আক্রান্ত রোগী অন্যদের সংক্রমণের কারণ হয়ে ওঠেন। আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলেও নিশ্চিন্ত থাকার কোনো কারণ নেই। মাস্ক পরা, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সাবধানতা মানতেই হবে।

করোনা থেকে সুস্থ হবার পরের কিছু দীর্ঘমেয়াদি সাধারণ সমস্যা থেকে যায়। অবসাদ, শুকনো কাশি, মাথা ভার লাগা, চুল পড়ে যাওয়া, ত্বকে সমস্যা, ঘুম ও স্মৃতিশক্তি কমে যাবার মতো সমস্যা দেখা দিলেও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করলে অবস্থার উন্নতি হয় বলে জানান এই চিকিৎসক।

ভ্যাকসিন নেয়ার অভিজ্ঞতা
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সম্মুখযোদ্ধা এই চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকায় সম্প্রতি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। ভ্যাকসিন নেবার পরে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ফাইজার-বায়োএনটেক ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছি। ভ্যাকসিন নেবার পরে একদিন হালকা জ্বর, মাথা ধরা ও মাসল পেইন ছিল। বর্তমানে পুরো স্বাভাবিক ও সুস্থ আছি।

ভাকসিন আসার পরেও রাতারাতি করোনা পরিস্থিতি চলে না গেলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হবে বলে আশাবাদ জানান ডা. রুমি আহমেদ খান।