চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ৩২০১ জন, মৃত ৪৪

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১২১তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ২০১ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৪ জন। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৪ জন।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ২০১টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ২৪৫টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৮ লাখ ৬০ হাজার ৩০৭টি। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায়
শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

তিনি বলেন: নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ২ হাজার ৭৩৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জন। মোট আক্রান্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,০৯৬ জনে আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৫২৪ জন। সব মিলে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৬ হাজার ১৪৯ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ, ১১ জন নারী। মৃতদের মধ্যে বিভাগ বিশ্লেষণে ১৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৩ জন রাজশাহী বিভাগের, সিলেট বিভাগের ৩ জন, খুলনা বিভাগের ২জন, রংপুর বিভাগের ২ জন, বরিশাল বিভাগের ৪ জন এবং ২ জন ময়মনসিংহ বিভাগের। তাদের মধ্যে ৩৫ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।

স্বাস্থ্য বুলেটিনে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। ডা. নাসিমা বলেন, আপনারা সবসময় পানি ফুটিয়ে খাবেন। খাবার ঢেকে রাখবেন এবং বাসার বয়স্ক ও শিশুদের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১৫ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৬৫ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও।