চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: শবে বরাতে কবর জিয়ারত করা যাবে না

করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে শবে বরাতের রাতে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়ায় জনসমাগম বা মাজারে মানুষের ভীড় না করার জন্য দেশের সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। 

বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আনিস মাহমুদের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি বলা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব দৃশ্যমান হচ্ছে। বিরাজমান এ পরিস্থিতিতে মহিমান্বিত এ রজনীতে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করে ইবাদত-বন্দেগির সময় ব্যক্তিগত দোয়া ও প্রার্থনা ছাড়াও করোনা ভাইরাসের মহামারির আক্রমণ থেকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্ববাসীকে সুরক্ষা ও নিরাপদ রাখার বিষয়ে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করার জন্য দেশের সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

দেশের শ্রদ্ধেয় আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, মসজিদের সম্মানিত খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, মাদরাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকসহ সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে এই দোয়া ও প্রার্থনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায় ইতোপূর্বে লক্ষ্য করা গেছে যে, শবে বরাতে জিয়ারতের জন্য কবরস্থান ও মাজারে অনেক লোকের সমাগম হয়। এছাড়া কবরস্থান ও মাজারের ভিতরে-বাইরে অনেক ভিক্ষুক, অসহায়, অসচ্ছল, প্রতিবন্ধী ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি সাহায্যের জন্য সমবেত হন। এ ধরনের জনসমাগমের কারণে করোনা ভাইরাস ব্যাপক হারে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শবে বরাতে কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে কবরস্থানে না গিয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করে মৃত আত্মীয়-স্বজনের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

একই সঙ্গে কবরস্থান ও মাজারের গেট বন্ধ রাখাসহ কবরস্থানের ভিতর ও বাইরে কোনো ধরনের জনসমাগম না করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে বিভিন্ন গুজব বিরত থাকার জন্যও সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আগামিকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে সারাদেশে শবে বরাত পালিত হবে। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখে দিনগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন।