চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ভারতে সংক্রমণ কমছে

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও করোনাভাইরাস শনাক্তের পরিমাণ কমেছে। এ নিয়ে টানা তিন দিন এ শনাক্তের পরিমাণ আড়াই লাখের নিচে রয়েছে। তবে এখনো মৃত্যু চার হাজারের বেশি।

করোনাভাইরাসের পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত একদিনে করোনায় শনাক্ত হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ জন। এই সময় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ১৭২ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট প্রায় ২ কোটি ৭১ লাখ লোকের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ৪২১ জন।

তবে ২৪ মে দেশটিতে করোনা শনাক্তের পরিমাণ ছিল আরও কম ১ লাখ  ৯৫ হাজার ৮১৫ জন। ২৩ মে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩৫ জন। এর আগে দৈনিক আড়াই লাখ করে নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

গত মার্চের মাঝামাঝিতে ভারতে এক দিনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের কাছাকাছি। তারপর দেশটিতে লাফিয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত ৩ এপ্রিল ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই কোটির মাইলফলক ছাড়ায়।

বিজ্ঞাপন

গত ৩০ এপ্রিল ভারতে প্রথম এক দিনে চার লাখের বেশি মানুষের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর একাধিক দিন দেশটিতে চার লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হয়। গত চার দিন ধরে ভারতে তিন লাখের নিচে করোনা শনাক্ত হচ্ছে।

৭ মে ভারতে প্রথম এক দিনে করোনায় চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তারপর একাধিক দিন দেশটিতে চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ গতকাল দেশটিতে মৃত্যু চার হাজারের ওপরে উঠল।

ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বাড়ছে। এ সংক্রমণের জেরে বাড়ছে মৃত্যুও। এ পরিস্থিতিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণকে মহামারি ঘোষণা করতে রাজ্য সরকারগুলোকে চিঠি দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বিশ্বের কোনো দেশে এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা রোগী শনাক্তের রেকর্ড এখন ভারতের দখলে। গত ২২ এপ্রিলের আগপর্যন্ত এ রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রের দখলে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে গত জানুয়ারিতে এক দিনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আসছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। ভারতের পর রয়েছে ব্রাজিল। সম্প্রতি সংক্রমণের দিক দিয়ে ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে ভারত।

বিশ্বে বর্তমানে করোনার সংক্রমণের কেন্দ্র ভারত। ভারতে সংক্রমণের ‘বিস্ফোরণের’ জন্য করোনার ভারতীয় ধরনকে অনেকাংশে দায়ী করা হচ্ছে। করোনার ভারতীয় ধরনকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিজ্ঞাপন