চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেল ব্রাজিল

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ব্রাজিলে। দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে দেশটি। গেল ২৪ ঘণ্টায় ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২৬৯ জন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন ১ হাজার ৮৩ জন।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুয়ায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে। এ সময় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৩১২ জন। সব মিলিয়ে ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮০ জন। দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২ হাজার ৫৪৫ জন।

বিজ্ঞাপন

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২০ হাজার ৫৭৮ জন। সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এখন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯ লাখ ১ হাজার ৭৮৩ জন।দেশটিতে মোট মৃত্যু ১ লাখ ৯ হাজার ১৪২ জন।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, এশিয়ার মধ্যে এখন করোনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হচ্ছে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৬৩৩ জন এবং মারা গেছে ২৫৯ জন। ভারতে মোট করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার ৮২৬ জন এবং মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৮৮ জনের। সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত এখন সপ্তম স্থানে।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় পাকিস্তানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬৫ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ৬৭ জন। পাকিস্তানে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮০ হাজার ৪৬৩ জন, মোট মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৬৮৮ জনের। পাকিস্তান করোনা আক্রান্ত দেশের মধ্যে ১৮তম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশেও দিন দিন বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে এরই মধ্যে উঠে গেছে ২১ তম স্থানে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৫ জন এবং মারা গেছেন ৩৭ জন। বাংলাদেশে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৫ হাজার ১৪০ জন ও মোট মৃত্যু ৭৪৬ জনের।

এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৫৭ জন। এছাড়া এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫১০ জনের শরীরে। এরই মধ্যে ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৩ জন।

মহামারির চেয়েও ভয়ংকর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হয়।