চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮৬৮

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১১১তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮৬৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ জন মারা গেছেন। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৮ জন।

শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ২৭৫ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আগের কিছু সহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৯৮টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪১টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৯১ শতাংশ।

তিনি বলেন: নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ৩ হাজার ৮৬৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৪ জন। মোট আক্রান্তের শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৪০ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬৬১-এ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৬৩৮ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ১৩৩ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

ডা. নাসিমা বলেন, যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ৪০ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে শূন্য থেকে ১০ বছরের ১ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ৩ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৬ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১২ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৪ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৩ জন, আশি বছরের বেশি বয়সী ১ জন। তাদের মধ্যে ১৪ জন ঢাকা বিভাগের, ১২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪ জন খুলনা বিভাগের, বরিশাল বিভাগের ৪ জন, সিলেট ব্ভিাগের ৩ জন ও রংপুরে বিভাগের ৩ জন রয়েছেন।

যে ৪০ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩১ জন হাসপাতালে এবং ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৯৭ লাখ ২৪ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ৯২ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৫২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও।