চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আদালতের কাঠগড়ায় বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের অন্যতম ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়েছে।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের জুফিকার হায়াতের আদালতে মামলা শুনানি হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই মামলা শুনানি শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মাজেদকে ১২:১৫ মিনিটে ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়েছে। এজলাসে তোলার আগ পর্যন্ত তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

বিজ্ঞাপন

এরআগে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আব্দুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার রাত সাড়ে তিনটায় রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান , সন্ত্রাস দমন বিষয়ক পুলিশের বিশেষ ইউনিট কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর এলাকার পল্লবী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হলেন ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। পলাতক অন্য পাঁচ খুনি হলেন আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন। এদের মধ্যে কানাডায় নূর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাশেদ চৌধুরী। মোসলেম উদ্দিন জার্মানিতে ও শরিফুল হক ডালিম স্পেনে আছে। তবে খন্দকার আবদুর রশিদ কোন দেশে অবস্থান করছেন তার সঠিক তথ্য পুলিশের কাছে নেই।

২০০৯ সালে ইন্টারপোলের মাধ্যমে এসব আসামিদের বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারি করে বাংলাদেশের পুলিশ।

এছাড়া আইনি প্রক্রিয়াশেষে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান।