চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে শনাক্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো

দেশে কোভিড-১৯ এর ৫৮তম দিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এসময়ে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা ১০ হাজার ১৪৩ জনে দাঁড়ালো। আর মোট মৃতের সংখ্যা হলো ১৮২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৪৭ জন। এতে করে মোট সুস্থ হলেন ১ হাজার ২০৯ জন।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান: গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ২৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা সংগৃহীত হয়েছিলো ৬৩১৫টি। বর্তমানে ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা আগে ৩০টি প্রতিষ্ঠানে করা হতো।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: নতুন করে যে ৫ জন মারা গেছেন তাদের সবাই পুরুষ। তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৩ জন। ৫ জনের ৩ জন ঢাকার, ১ জন সিলেটের ও ১ জন ময়মনসিংহের। নতুন করে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৯০ জনকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে করোনার বিস্তার রোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে তাদের সহযোগিতা করা এবং যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তাদের হেয় না করার আহ্বান জানানো হয়।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন সাড়ে এগারো লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।