চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ‘ডাক্তারভাই’ এ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বাংলালিংক ও হেলথকেয়ার ইনফরমেশন সিস্টেম লিমিটেড (এইচআইএসএল)-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘ডাক্তারভাই’-এর সব প্রিমিয়াম সেবা বাংলালিংক গ্রাহকদের বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে।

বাংলালিংক গ্রাহকরা ‘ডাক্তারভাই’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ৬১টি জেলার ৩০০টিরও বেশি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার উপর ৪০% পর্যন্ত মূল্যছাড় এবং ইউনাইটেড হাসপাতালের বিশেষ হেলথ স্ক্রিনিং প্যাকেজের উপর ৩০% মূল্যছাড় পাবেন।

বিজ্ঞাপন

‘আস্ক এ ডক্টর’ সেবাটি বিনামূল্যে ব্যবহার করে বাংলালিংক গ্রাহকরা স্বাস্থ্যবিষয়ক বিষয়ক সাধারণ প্রশ্নও করতে পারবেন চিকিৎসকদের কাছে। এছাড়াও তারা ২৫০০-এরও বেশি চিকিৎসকের (ইউনাইটেড হাসপাতালের সব চিকিৎসকসহ) অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাবেন বিনামূল্যে।

বিজ্ঞাপন

এসবের পাশাপাশি হেলথ রেকর্ডস্‌ ট্র্যাকিং, হেলথ ডিরেক্টরি, হেলথ ব্লগস্, মেডিসিন রিমাইন্ডার ইত্যাদি সেবাগুলি আগের মতোই বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। সেবাগুলি পেতে বাংলালিংক গ্রাহকদের গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ‘ডাক্তারভাই’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে অথবা ভিজিট করতে হবে এই ওয়েবসাইটটি: https://daktarbhai.com/.

বিজ্ঞাপন

এই বিশেষ সুবিধাগুলি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে ৩১ মে, ২০২০ পর্যন্ত। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গ্রাহকদের নিরাপদে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলালিংক ইতোমধ্যে এই সেবাসহ বেশ কিছু সংখ্যক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বাংলালিংক-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার উপাঙ্গ দত্ত বলেন, “এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা সকল বাংলালিংক গ্রাহককে বিনামূল্যে প্রিমিয়াম সেবাগুলি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। গ্রাহকদের নিরাপত্তাকে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি, এবং এই মুহূর্তে ডিজিটাল উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের সহায়তা প্রদানের জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আমরা আশা করছি, গ্রাহকদের জন্য আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলি এই পরিস্থিতিতে তাদের যথা সময়ে স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা পেতে সাহায্য করবে।”

‘ডাক্তারভাই’ প্ল্যাটফর্মের সহপ্রতিষ্ঠাতা রায়হান শামসি বলেন,“কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে মহামারীর অবস্থা সৃষ্টি করেছে। দেশের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলিতে চিকিৎসকের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এইচআইএসএল ও বাংলালিংক দুই মাসের জন্য সব বাংলালিংক গ্রাহককে এই প্রিমিয়াম সেবাগুলি বিনামূল্যে প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরও বেশি কার্যকর উপায়ে মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

একটি সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলালিংক গ্রাহকদের সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।