চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এবছর ইউরোপের ‘স্বর্ণবালক’ হালান্ড

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন! ২০১৯-২০ মৌসুমে আর্লিং ব্রট হালান্ডের পরিসংখ্যান করলে এই কথা লিখতেই হবে। মাত্র এক মৌসুমেই নিজেকে পরিচিত করেছেন ইউরোপিয়ান ফুটবলের ভবিষ্যৎ হিসেবে। পেলেন তার স্বীকৃতিও। গত মৌসুমজুড়ে দারুণ খেলার পুরস্কার হিসেবে ইউরোপিয়ান ফুটবলে তরুণদের ‘গোল্ডেন বয়’ জিতেছেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলা নরওয়েজিয়ান ফুটবলার।

ইউরোপে খেলা অনূর্ধ্ব-২১ বছর বয়সী ফুটবলারদের জন্য প্রতি বছর ‘গোল্ডেন বয়’ পুরস্কার দেয় ইতালিয়ান গণমাধ্যম টুট্টোস্পোর্ট। গত বছর সম্মানজনক এ খেতাব জিতেছিলেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড হোয়াও ফেলিক্স।

Reneta June

গত মৌসুমে দুই ক্লাবের হয়ে সর্বমোট ৪৪ গোল করেছিলেন হালান্ড। মৌসুমের প্রথমভাগে ছিলেন অস্ট্রিয়ান ক্লাব সলযবুর্গে, সেখানেই দেখিয়েছেন ঝলক। এরপর শীতকালীন দলবদলে তাকে দলে টানে বরুশিয়া। জার্মান ক্লাবটিতে গিয়েই হয়ে উঠেছেন আরও বেশি ক্ষুরধার, ১৮ ম্যাচে করেছেন ১৬ গোল।

বিজ্ঞাপন

বুন্দেসলিগায় গত মৌসুমে ১০ গোল করেছেন এমন ফরোয়ার্ডদের মধ্যে হালান্ডের চেয়ে কেবল রবার্ট লেভান্ডোভস্কির রেকর্ডটাই ভালো। প্রতি ৮১.২ মিনিটে একটি করে গোল পেয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ ফরোয়ার্ড, হালান্ডের গোল সেখানে ৮১.৭ মিনিট অন্তর একটি।

নতুন মৌসুমেও গোল মেশিনের মত গোল করেই যাচ্ছেন হালান্ড। লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে ১১ ম্যাচে করেছেন সমান সংখ্যক গোল।

এবারের গোল্ডেন বয় পুরস্কারে বেশ ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বীতা ছিলো। হালান্ডের সঙ্গে লড়াইয়ে ছিলেন তার ক্লাব সতীর্থ জাডেন সাঞ্চো, বায়ার্ন মিউনিখের আলফানসো ডেভিস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাসন গ্রিনউড ও বার্সেলোনার নতুন বিস্ময় আনসু ফাতি। সবাইকে পেছনে ফেলে বছরের সেরা তরুণের পুরস্কার উঠতে চলেছে হালান্ডের হাতেই।