চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘এটা ক্রিকেট, যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে’

এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ মঞ্চে খেলতে যাচ্ছে আফগানিস্তান। বাছাইপর্বে জিম্বাবুয়ের মতো দলকে হটিয়ে জায়গা করে নেয় আফগানরা। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে নিজের দল নিয়ে তাই আশাবাদী আফগানিস্তানের নতুন অধিনায়ক গুলবাদিন নায়েব।

বিশ্বক্রিকেটের মহারণের দল পাঠানোয় খানিকটা অন্যপথ নিয়েছিল আফগান বোর্ড। ২৩ জনের সম্ভাব্য একটি দলকে সাউথ আফ্রিকায় প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়। নির্বাচক কমিটির মতে বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে তাদের শেষ ছয় মাসের পারফরম্যান্স এবং ফিটনেসকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রস্তুতি ভালো হওয়ায় বিশ্বকাপে এবার বড়কিছু অঘটনও ঘটাতে চায় তারা।

সফল হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব হারান আসগর আফগান। তাকে-সহ তিন ফরম্যাটের জন্য তিনজনকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয় আফগান বোর্ড। ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয় অলরাউন্ডার গুলবাদিন নায়েবকে। একটি নতুন নেতৃত্বে দল গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়।

সিনিয়রদের পাশে ঠেলে নায়েবকে অধিনায়ক করায় দেশের মানুষ একটু উদ্বেগে। তাদের চিন্তা আচমকা পাওয়া দায়িত্ব বড় মঞ্চে কীভাবে পালন করবেন নায়েব? এটা কী টিম স্পিরিটে প্রভাব ফেলতে পারে? আসে এমন প্রশ্নও।

তবে উদ্বেগ উড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে সতীর্থদের প্রশংসা করেছেন নায়েব। সেই সঙ্গে বলছেন, পরিবর্তনটা ‘বড় কোনো’ বিষয় না।

বিজ্ঞাপন

একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে দেয়া সাক্ষাতকারে আফগান অধিনায়ক বলেন, ‘আমি যখন দলের দিকে তাকাই, দেখি গত কয়েক মাসে দারুণ প্রস্তুতি হয়েছে। ছেলেরা মানসিকভাবে খুবই আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বকাপে অংশ নিতে সবাই ব্যাকুল হয়ে আছে।’

সাউথ আফ্রিকার প্রশিক্ষণ নিয়ে দারুণ খুশি নায়েব। কারণ, ইংল্যান্ডেও প্রায় একই রকম পিচে খেলতে হবে তাদের। সাউথ আফ্রিকার বাউন্সি পিচের প্রশিক্ষণ বিশ্বকাপে বেশ কাজে দেবে বলেই তার বিশ্বাস।

বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১০টি দল। আইসিসির সবশেষ প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ের একেবারে শেষে, অর্থাৎ ১০ নম্বরে আছে আফগানিস্তান। তবে র‌্যাঙ্কিং যেখানেই থাক, নায়েব বলছেন, বিশ্বকাপে যে তারা অনেক দলকেই বিস্ময় উপহার দিতে পারেন সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

এশিয়া কাপের সবশেষ সংস্করণে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে। বিশ্বকাপেও এমন কিছু হতে পারে? নায়েবের সোজা উত্তর, ‘আমি এমনটাই আশা করি। এটা ক্রিকেট- যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’

১ জুন ব্রিস্টলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে আফগানিস্তানের।

শেয়ার করুন: