চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এজন্যই তো মেসি-রোনালদোর সাথে নাম আসছে হালান্ডের

তার পেছনে ম্যানসিটি, ম্যানইউ, বায়ার্নের মতো জায়ান্ট ক্লাবগুলো কেনো অর্থের বস্তা নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছে, সেটি আরেকবার প্রমাণ করলেন আর্লিং হালান্ড। দারুণ নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে নিয়েছেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে।

মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে সেভিয়ার বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে ডর্টমুন্ড। ম্যাচের ৩৫ ও ৫৪ মিনিটে গোল দুটি করে বরুশিয়াকে কোয়ার্টারে নেন নরওয়েজিয়ান তারকা। প্রথম লেগে সেভিয়ার মাঠ থেকে ৩-২ গোলে জিতে এসেছিল বরুশিয়া। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ গোলে সেরা আটে গেল জার্মান দলটি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

২০ বছর বয়সী হালান্ড জোড়া গোলের রাতে এক হালি রেকর্ডের পাতায় নাম তুলেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৪ ম্যাচে ২০ গোল হয়ে গেল তার। এরচেয়ে কম বয়সে উয়েফা সেরার লড়াইয়ে গোলের এই মাইলফলকে যেতে পারেননি আর কেউই।

মজার বিষয় হল, দুই গোলমেশিন লিওনেল মেসির ২০ গোল হতে খেলতে হয়েছিল ৪০ ম্যাচ, আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর লেগেছিল ৫৬ ম্যাচ করে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে টানা ৬ ম্যাচে গোলের রেকর্ডও এখন হালান্ডের। এই মৌসুমে ৬ ম্যাচে তার নামের পাশে ১০ গোল।

বিজ্ঞাপন

কম বয়সে ২০ গোলের রেকর্ড হালান্ড কেড়েছেন সময়ের আরেক তারকা বিশ্বকাপজয়ী কাইলিয়ান এমবাপের থেকে। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে নরওয়েজিয়ান হিসেবে সর্বোচ্চ গোলও এখন হালান্ডের। ১৯ গোল আছে ম্যানইউর বর্তমান কোচ ওলে গানার সুলশেয়ারের।

সঙ্গে ২১ বছরে পদার্পণের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়াও হল হালান্ডের। তার বয়স ২০ বছর ২৩১ দিন। এখানেও পেছনে ফেলেছেন ফ্রান্স তারকা এমবাপেকে।

২০ বছরে থাকতেই ১০০তম ক্যারিয়ার গোল হয়ে গেল হালান্ডের, ১৪৭ ম্যাচে। তারমধ্যে আছে বরুশিয়ায় ৫০ ম্যাচে ৪৬ গোল, সলসবুর্গে ৪৬ ম্যাচে ৪৭ গোল, এবং নরওয়ের হয়ে ৭ ম্যাচে ৬ গোল। চলতি মৌসুমে ২৮ ম্যাচে ২৯ গোল হল সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে।

ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে ৮৬ ম্যাচে শততম গোল করেছিলেন ১৮ বছর বয়সে থাকতেই। আরেক ব্রাজিলিয়ান ফেনোমেনন রোনাল্ডো ১০৮ ম্যাচে শততম ছুঁয়েছেন। ২০ বছর বয়স পর্যন্ত ১৭৫ ম্যাচ খেলে এমবাপে, রোমারিও ২৩ বছরে এসে ১৭৫ ম্যাচে, নেইমার ২০ বছরে ১৮৪ ম্যাচে, মেসি ২২ বছরে ২১০ ম্যাচে, লেভান্ডোভস্কি ২৩ বছরে এসে ২১৬ ম্যাচে, ইব্রাহিমোভিচ ২৫ বছর বয়সে ২৭০ ম্যাচে মাইলফলকটি ছুঁয়েছিলেন।

কিংবদন্তিদের মধ্যে ১০০তম গোলে পৌঁছাতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ লেগেছিল রোনালদোর, সিআর সেভেন ২২ বছরে এসে ৩০১ ম্যাচে ছুঁয়েছেন এই মাইলফলক।