চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

উত্তরে জেঁকে বসছে শীত

দেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে শীত। সোমবার বছরের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হঠাৎ জেঁকে বসা শীতে চরম বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় দিন-মজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের নাকাল অবস্থা।

রোববার সন্ধ্যা থেকে জেঁকে বসতে শুরু করে কনকনে শীত। সকালে সূর্যের আলোয় ঝিলিক মারছে শিশির ফোঁটা। কনকনে এই শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। এতে সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা।

বিজ্ঞাপন

ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়স্ক রোগী সংখ্যা। হঠাৎ শীতে শ্রমজীবী মানুষের বেড়েছে চরম দুর্দশা। ঠাণ্ডার কারণে ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না তারা। হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

শীত মোকাবেলায় দিনাজপুরে জেলা প্রশাসক ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে জেলার ১৩টি উপজেলায় প্রতিটি (১০২টি) ইউনিয়নে ৪৬০টি করে কম্বল এবং ১ হাজার পিস শুকনো খাবারের প্যাকেট পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো.মাহমুদুল আলম।

তিনি আরও জানান, শীত মোকাবেলায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চাহিদার অর্ধেক শীতবন্ত্র ৫৩ হাজার পিস কম্বল ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। এছাড়াও বে-সরকারিভাবেও শীত নিবারণের পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র দেয়া হচ্ছে, বিভিন্ন এলাকায়। এরই মধ্যে ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় যানবাহন চালাতে হচ্ছে হেড লাইট জ্বালিয়ে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার সেখানে বছরের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রর্তা ৯৪। দুই তিনদিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে মনে করছে আবহওয়া অধিদপ্তর।

শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের দাবি তুলেছে।

বিজ্ঞাপন