চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইউরোপিয়ান লিগগুলো বাতিল প্রশ্নে চাপের মুখে উয়েফা

করোনাভাইরাসের কারণে থমকে যাওয়া লিগগুলো কেনো বাতিল করা হবে না, এমন প্রশ্নে বেশ চাপের মুখে আছে উয়েফা। করণীয় ঠিক করতে বৃহস্পতিবার আবারও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে বসবে ইউরোপিয়ান দেশগুলো।

উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন যেকরেই হোক তিনি আগস্টের মধ্যে লিগ শেষ করতে চান। একই সময়ের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইউরোপা লিগ শেষ করার ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু বেলজিয়ামসহ আরও কয়েকটি দেশ ঘরোয়া ফুটবল বাতিল করায় বেশ চাপে পড়ে গেছে উয়েফা। মহামারী শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ফুটবল মাঠে গড়াবে না বলে জানিয়েছে ওই দেশগুলো।

বিজ্ঞাপন

বেলজিয়ামের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে আরও কয়েকটি দেশ। বিশেষ করে যেসব দেশ টিভি সত্ত্বের আয়ের উপর নির্ভরশীল নয় তারাই বরং চাপ দিচ্ছে উয়েফাকে।

বিজ্ঞাপন

সেই সিদ্ধান্তকে অবশ্য ভালোভাবে নেননি সেফেরিন। বেলজিয়ামকে হুঁশিয়ারি দিয়ে উয়েফা সভাপতি জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কিংবা ইউরোপা লিগে খেলতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হবে দেশটিকে। এভাবে লিগ শেষ করে দেয়া উয়েফার পরিপন্থী।

লিগ বাতিলের সিদ্ধান্তের পর বেলজিয়াম চাইছিল নেদারল্যান্ডস যেন তাদের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু রয়্যাল ডাচ অ্যাসোসিয়েশন পক্ষ নিয়েছে উয়েফার। তারাও চাইছে লিগ শেষ হোক। তবে আয়াক্স, পিএসভি, আলকমার মতো বড় দলগুলো লিগ বাতিলের পক্ষে।

বেলজিয়ামকে চাপে ফেলে দিয়েছে জার্মানিও। দেশটির ক্লাবগুলো এরইমধ্যে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে। ইংলিশ ক্লাবগুলো ৬ জুনের মধ্যে অনুশীলনে ফিরতে চাইছে। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে লিগ শুরু হলে গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ায় করোনা থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ক্লাবগুলোর।

জার্মান বিজ্ঞানীরা আবার বলছেন, অন্তত ১৮ মাসের আগে মাঠে ফিরলে ঝুঁকিতে পড়ে যাবেন ফুটবলাররা। লিগ শুরুর জন্য তাড়াহুড়ো করতে খেলোয়াড়দের নিষেধ করে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফলে নতুন করে চাপে পড়ে গেছে উয়েফা। প্রতিষেধক না নিয়ে কোনভাবেই মাঠে নামতে নিষেধ করা হচ্ছে ফুটবলারদের।

চাপে আছে জার্মান ফুটবল লিগও। এই মৌসুমে ফুটবল আর শুরু না হলে টেলিভিশন সত্ত্ব থেকে ৬৫০ মিলিয়ন পাউন্ড রাজস্ব হারাবে তারা। এখন সামনে কী করণীয় সেটা ঠিক করতে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে চোখ রাখতে হচ্ছে।