নিরাপত্তা শঙ্কা কাটিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। আর ইংল্যান্ডের এই সফরকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বার্তা বলেছে বিসিবি। সেই সাথে ইংল্যান্ড দলকে ধন্যবাদ জানায় বোর্ড। নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার রাতে সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড।
১ জুলাই গুলশানে জঙ্গি হামলায় শুধু বাংলাদেশে বিদেশীদের আগমনই শঙ্কার মুখে পড়েনি, শঙ্কা ছিল বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজ নিয়েও। তারপরেও নেতিবাচক ভাবনাগুলোকে পেছনে ফেলে ২০ জুলাই ‘অনুশীলন ক্যাম্প’ শুরু করে টাইগাররা।
এ মাসের মাঝামাঝিতে ভারতের নিরাপত্তা যাচাইয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দেখে যায় রেগ ডিকাসনের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের তিন সদস্যের নিরাপত্তা দল। বৈঠক হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং বিসিবি সভাপতির সঙ্গে। দেশে ফিরে ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের সঙ্গে ‘মতামত’ নেয়ার বৈঠক থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানায় ইসিবি।
খবর শোনার পর বিসিবিতে নেমে আসে আনন্দের ঢেউ। সে কথা জানিয়ে বিসিবির পরিচালক আকরাম খান বলেন, খবরটা আমরা গভীর রাতে জেনেছি। প্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার পর যেমন আনন্দ হয়েছিল। আমার কাছে আজও তেমন অনুভূতি হচ্ছে।
বাংলাদেশেই নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট লিগ-বিপিএল। অংশ নেন নামী-দামী দেশী-বিদেশী তারকা ক্রিকেটাররা। সেদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ সফর বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া।
আকরাম খান বলেন, বিগত দিনে নিরাপত্তার দিক দিয়ে বাংলাদেশ যেরকম সাফল্য দেখিয়েছে, আশা করি এবার সেই রকমই হবে।
তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করায় নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়বে।’
ইংল্যান্ড দল আসায় ইংলিশ বোর্ডসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানান আকরাম খান। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুই ফরমেটের দুই ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও ইয়ন মরগানকে।
বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে ইংলিশরা। এ সময়টাতে ইংলিশরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছে কি না, তাতে ইসিবি’র পূর্ণ নজরদারি থাকবে।










