চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পুরো বিষয়টি আমাদের বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে: এফটিপিও

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের উপর হওয়া নিপীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনস’ (এফটিপিও)

প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিপীড়ন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সোচ্চার সর্বস্তরের মানুষ। রাস্তায় নামছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের উপর হওয়া নিপীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে টেলিভিশন শিল্পী, কলাকুশলী, নাট্যকার, অনুষ্ঠান নির্মাতাদের সম্মিলিত সংগঠন ‘ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনস’ (এফটিপিও)।

এফটিপিওর চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ, টেলিপ্যাব সভাপতি ইরেশ যাকের ও সাধারণ সম্পাদক সাজু মুনতাসির, ডিরেক্টর গিল্ড সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগর, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্নার স্বাক্ষরিত এফটিপিওর নিজস্ব প্যাডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সংগঠনগুলোর নেতারা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সেখানে বলা হয়, ‘সোমবার বাংলাদেশের সচিবালয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার মধ্যে প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একান্ত সচিবের কক্ষে যেভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে তাতে অতীতে এই ধরনের ঘটনা কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। সৎ সাংবাদিকতার প্রতীক এই নারী সাংবাদিকটি তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনৈক অতিরিক্ত সচিবের কোপানলে পড়ে যায়। এরপর তার বর্বরতা সমস্ত ভব্যতার সীমা অতিক্রম করে।’

বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির পক্ষে আরো বলা হয়, ‘শুধু তাই নয় পাঁচ ঘন্টা আটকে রাখার পর প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে অসুস্থ এই নারী সাংবাদিককে সারারাত আটকে রেখে আদালতে হাজির করা হয়। সেখান থেকে আদালত তাকে জেলে পাঠিয়ে দেয়। পুরো বিষয়টি আমাদের বিবেক কে ভীষণ ভাবে নাড়া দিয়েছে। এই কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তার শাস্তি কামনা করছি এবং রোজিনা ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’

পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সোমবার (১৭ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টার বেশি আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশ তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।

মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মাে. শিব্বির আহমেদ ওসমানী শাহবাগ থানায় তার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তার অভিযোগটি মামলা আকারে রুজু করে পুলিশ। পরে পুলিশ জানায়, তাকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন