চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে জঙ্গিবাদ

রাজধানীতে ঈদকে সামনে রেখে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা এড়াতে মাঠ পর্যায়ে পুলিশকে সর্ব্বোচ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একটি চিঠির মাধ্যমে নিরাপত্তা বাড়াতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে পুলিশের সকল স্থাপনা ও যানবাহনে। এছাড়া বিমানবন্দর, কূটনীতিক পাড়া ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় ও মাজারকেন্দ্রিক মসজিদে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা নজরদারি।

অনেকদিন কোনো ধরণের জঙ্গি তৎপরতা ছাড়াই দেশ একটি শান্তিময় সময় পার করছিল, হঠাৎ করে এই ধরণের সতর্ক বার্তা পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে। প্রতিবছর ঈদসহ নানা উৎসবের আগে বাড়তি সতর্কতা থাকলেও এবারে এধরণের সরাসরি নির্দেশনা দেশবাসীকে শঙ্কিত করে তুলেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জঙ্গিবাদ বিষয়ে সর্বশেষ বক্তব্য শোনা গিয়েছিল জুলাই মাসে হলি আর্টিজানে নৃশংস হামলার চতুর্থ বার্ষিকীতে। সেসময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছিলেন, ‘আমরা কিন্তু আত্মতুষ্টিতে ভুগছি না। আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যে সফলতা অর্জন করেছি সেই সফলতাকে ধরে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল ইউনিট কাজ করছি। আমরা এক ধাপ এগিয়ে আছি, জঙ্গিরা যখনই কোনো পরিকল্পনা করছে আমরা তখনই গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী কাজ করছি এবং তাদের আটক করতে সক্ষম হচ্ছি।’ তার বক্তব্য ছিল আশাজাগানিয়া। র‌্যাবসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিগত বছরগুলোতে দেশ ও দেশের জনগণকে নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে রাখতে পেরেছে। বৈশ্বিক বিভিন্ন ধর্মীয় ইস্যু ও আঞ্চলিক অস্থিরতার সময়গুলোতেও দেশ ছিল নিরাপদ।

বিজ্ঞাপন

সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ওই সতর্কবার্তাকে কাজে লাগিয়ে সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের নিরাপত্তার ওই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে বলে আমাদের আশাবাদ। ইতিমধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, চলছে নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম। জনগণকে অভয় দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করলেও বড় ধরনের হামলার সক্ষমতা জঙ্গিদের নেই।

করোনায় সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, নতুন করে মাথা চাড়া দেবার চেষ্টায় থাকা জঙ্গিবাদ যেনো সেই ক্ষতির প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত না করে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই বিশেষ নজর দেবেন, এই আমাদের প্রত্যাশা।